চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

উপাচার্য হলে কি অন্ধ-কালা হতে হয়?

চিররঞ্জন সরকারচিররঞ্জন সরকার
৯:০৮ পূর্বাহ্ণ ২৯, সেপ্টেম্বর ২০১৯
মতামত
A A

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. খন্দকার নাসির উদ্দিনের এলেম আছে বটে। তার বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অবিশ্বাস্য কাণ্ড ঘটেছে। মাস্টার ডিগ্রী নিয়েই আক্কাস আলী নামে এক ব্যক্তি কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের শিক্ষক হয়েছেন। শুধু তাই নয়, চাকরি পাবার চার মাসের মধ্যেই তিনি সহকারি অধ্যাপক হন। সহকারি অধ্যাপক হবার তিন মাসের মধ্যে বিভাগীয় চেয়ারম্যান। এইবার উনার মাস্টার ডিগ্রী করতে হবে। কোথায় করবেন? নিজ বিভাগেই মাস্টার্স ডিগ্রীর কোর্স খুলে দিলেন। তিনিই প্রথম এবং একমাত্র ছাত্র! কোর্স কারিকুলাম, সিলেবাস সবই বানানো হলো তার তত্বাবধানে (যাবতীয় আইন-কানুন মেনে!)। আক্কাস আলী মাস্টার্স পাশ করে গেলেন। এই কর্মযজ্ঞে যিনি সর্বক্ষণ আক্কাস আলীর পাশে ছিলেন তিনি উপাচার্য অধ্যাপক ড. খন্দকার নাসির উদ্দিন!যদিও আক্কাছ আলীর আম-ছালা সবই গেছে। সে এখন আর বিভাগীয় চেয়ারম্যান নেই। এ বছর এপ্রিল মাস থেকে নারী কেলেঙ্কারির এক মামলায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখা হয়েছে।

উপাচার্য মহোদয়ের কৃতিত্ব এখানেই শেষ নয়। তিনি খোন্দকার মাহমুদ পারভেজ নামে নিজের ভাইয়ের ছেলেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে নিয়োগ ও পদোন্নতি দিয়েছেন। খোন্দকার মাহমুদ পারভেজ ২০১৬ সালের ১১ মে বিশ্ববিদ্যালয়টির সেকশন অফিসার পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও পরের বছর জুলাই মাসে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রভাষক পদে নিয়োগ পান তিনি।

২০১৮ সালের ২২ জুলাই কর্তৃপক্ষ সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেয়। সেই বিজ্ঞপ্তির পর ২৮ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়টির রিজেন্ট বোর্ডের ২৫তম সভায় খোন্দকার মাহমুদ পারভেজকে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর পর তাকে বিভাগটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বও দেওয়া হয়। অর্থাৎ সেকশন অফিসার পদে যোগদানের দুই বছর পার হতে না হতেই একটি বিভাগের চেয়ারম্যান পদ পেয়ে গেছেন খোন্দকার মাহমুদ পারভেজ। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী, প্রার্থীর গবেষণাপত্র না থাকলে প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক হতে হলে অন্তত তিন বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। দুই বছরে যদি কেউ প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক হতে চান, তা হলে তার অন্তত একটি প্রকাশনা থাকতে হবে। পারভেজের এর কোনোটিই নেই।

অনিয়ম-দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতিসহ নানা ধরনের কেলেঙ্কারির অভিযোগে অভিযুক্ত এই ভিসির বিরুদ্ধে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আন্দোলন চলছে। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেও আন্দোলন বন্ধ করা যায়নি। ইতোমধ্যে ছাত্রদের এই আন্দোলনের পক্ষে একাত্মতা প্রকাশ করে তিন সহকারী প্রক্টর পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু যার পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের লাগাতার এই আন্দোলন সেই ভিসি নাসির এখনও বহাল তবিয়তে। তিনি গদি না ছাড়তে অনঢ় অবস্থানে। উল্টো তিনি শিক্ষার্থীদের শাসিয়ে যাচ্ছেন। এর আগে তিনি আন্দালনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে গুণ্ডাও লেলিয়ে দিয়েছিলেন। ভিসি সমর্থক দুর্বৃত্তদের হামলায় অন্তত বিশজন শিক্ষার্থী মারাত্মকভাবে আহত হয়।

শুধু গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়েই নয়, দেশের আরও কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে। সবখানেই উপাচার্যদের অনিয়ম-দুর্নীতি আর স্বেচ্ছাচারিতার কারণে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, উপাচার্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ক্ষোভ, আন্দোলন, সমালোচনাকে তারা পাত্তা দিচ্ছেন না। উল্টো হুমকি-ধমকি অব্যাহত রেখেছেন।

এটা খুবই দুঃখজনক। একজন উপাচার্যকে সংবেদনশীল ও সহানুভূতিশীল হতে হয়। নীতিনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল হতে হয়। শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সব অভাব অভিযোগ তিনি শুনবেন। নিদান দেবেন। তার কাজ কেবল শাসন করাই নয়, সহানুভূতি প্রকাশও বটে। কিন্তু সেই জায়গাটায় আমাদের দেশের উপচার্যদের ভূমিকা খুবই হতাশাব্যঞ্জক। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেই যেন তারা কালা হয়ে যান। অন্ধ হয়ে যান। কিছুই শোনেন না, কিছুই দেখেন না। তদ্বির ও দলবাজির জোরে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা একবার উপাচার্য হয়ে গেলে খুব দ্রুতই দুর্নীতিবাজ ও স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠেন। তখন তারা ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে মিলে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়কে অনিয়ম ও দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেন। এ ব্যাপারে, নীতি, আদর্শ, বিবেক, শিক্ষকের মর্যাদা কোনো কিছুই কাজ করে না।

Reneta

উপাচার্যদের এই ভূমিকা প্রসঙ্গে অনেকে বলে থাকেন, বিশ্ববিদ্যালয় বিচ্ছিন্ন কোনো দ্বীপ নয়, বাংলাদেশের সমাজ বাস্তবতার মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান। দেশের সার্বিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের সঙ্গে শিক্ষার অবক্ষয় জড়িত। শিক্ষার মানের অবনমনের জন্য এই প্রতিষ্ঠানকে একতরফাভাবে দোষারোপ করা যাবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক হস্তক্ষেপের কারণে এই অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এর জন্য নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনীতিকদের হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে। বিদ্বান ব্যক্তিদের স্বাধীনভাবে জ্ঞান চর্চার সুযোগ দিতে হবে; সেই সঙ্গে তাদের সম্মান ও সচ্ছলতাও নিশ্চিত করা উচিত।

উল্লিখিত যুক্তিকে অস্বীকার করা যাবে না। কিন্তু তাই বলে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের কি কোনো দোষ নেই? কোনো দায় নেই? সব সময় কেবল রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ‘ষড়যন্ত্র’ বলে চালিয়ে দিলেই কি হবে? প্রশ্ন হলো, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে কেন দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ ওঠে? এ প্রশ্নের জবাব কি কখনও কর্তৃপক্ষ খুঁজেছেন? অনুসন্ধান করে দেখেছেন? পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পরিচালিত হয় সাধারণ মানুষের করের টাকায়। অতএব, এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোথায় কী হচ্ছে, কোন খাতে কত টাকা খরচ হচ্ছে, তার জবাবদিহি থাকতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদটি খুবই মর্যাদাপূর্ণ। অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সেই মর্যাদা রাখছেন কি না সে ব্যাপারে যথেষ্ট সংশয় আছে। সরকার নিয়োগ দিয়েছে বলেই তারা যা খুশি করতে পারেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আস্থায় রেখেই তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।একথা অনস্বীকার্য যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দলীয়করণের বিষময় ফল ফলছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাচন বা বিভিন্ন পদে পদোন্নতির ব্যাপারে যেখানে শিক্ষা, মেধা, অভিজ্ঞতা, ব্যক্তিত্ব ও চরিত্রবল ইত্যাদি মাপকাঠির ভিত্তিতে মূল্যায়ন হওয়ার কথা, সেখানে কেবল দলীয় অনুগত্যেকে সেরা- তার ভিত্তিতে নিয়োগ-পদোন্নতি দেওয়া হয়, সেখানে এ ধরনের ঘটনা অস্বাভাবিক নয়।

আমরা কয়েক দশক আগে দেখেছি উচ্চশিক্ষিত, সজ্জন, প্রশাসনিকভাবে কঠোর অথচ গ্রহণযোগ্য শিক্ষকরাই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। শিক্ষা ক্ষেত্রে তো বটেই, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নাগরিকদের কাছেও তারা ছিলেন সম্মানিত। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে যা দেখছি তাতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের ওপর সাধারণ নাগরিক তো দূরের কথা, শিক্ষক-ছাত্ররাও কোনো আস্থা বা সম্মান রাখতে পারছেন না। কারণ নানা ধরনের অনিয়ম-একনায়কতন্ত্র-নিয়োগ বাণিজ্য-টেন্ডারবাজি-সন্ত্রাসী ও রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের তোষণ করে উপাচার্যের পদটিকেই বিতর্কিত করে তোলা হয়েছে।

উপাচার্য হলেন একজন অভিভাবক। তার প্রতিষ্ঠানের হাজারো শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা–কর্মচারীদের অভিভাবক। তার নির্দিষ্ট কাজ থাকবে। সেগুলো নিয়েই তার দিন-রাত কাটবে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা-গবেষণার মানোন্নয়নে সকল প্রকার চেষ্টা চালাবেন। সর্বোচ্চ মেধাবীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছে কিনা সেটা নিশ্চিত করবেন। প্রতি বছর সর্বোচ্চসংখ্যক আন্তর্জাতিক মানের সেমিনার-সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হচ্ছে কিনা লক্ষ্য রাখবেন। বিদেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য-সহ-উপাচার্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে কী করে গবেষণার অনুদান নেওয়া যায় সেই চেষ্টা করবেন। বছর বছর গবেষণাপত্রের মান ও সংখ্যা বাড়ানোর জন্য গবেষকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। যে সকল শিক্ষকেরা শিক্ষা ও গবেষণায় পিছিয়ে থাকছেন তাদের চাপ দেবেন। বিদেশের ভালো ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তার প্রতিষ্ঠানের গুণগত যে ব্যবধান, সেগুলো পূরণের চেষ্টায় নিয়োজিত থাকবেন। দেশের শিক্ষা-ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে তার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার কথা প্রচারমাধ্যমে জানাবেন। তিনি শিক্ষা-গবেষণা বিষয়ক লেখালেখি করবেন। এগুলো হবে তার কাজ। এগুলোই হবে তার নেশা। তিনি সময় কাটাবেন এগুলো নিয়েই। এটাই হওয়ার কথা!

কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, আমাদের অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দলবাজি, আর ক্ষমতার অপব্যবহার ছাড়া তেমন কিছুই করেন না। তারা সরকারের গুণগান গাইতে ব্যস্ত থাকেন বেশি। মনে হয় যেন উপাচার্য হওয়ার পরম সার্থকতা হলো কেবল দলবাজি করা, নিজের গদিকে সুসংহত করা। একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কী জানেন না, তার দায়িত্ব কী হওয়া উচিত? তিনি কি জানেন না, তার জন্য একটি প্রতিষ্ঠান ধসে পড়তে পারে? উপাচার্যরা যদি শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নেই ব্রত না হন, নিয়মনীতি মেনে ও মানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশকে সুন্দর করতে না পারেন, তাহলে আর উপাচার্য হওয়ার মানে কী? শিক্ষার পরিবেশ ধ্বংস করে, শিক্ষার্থীদের অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়ে কেবল পদ, রাজনীতি আর দল নিয়ে ব্যস্ত থাকাই কি একজন উপাচার্যর কাজ?

দেশের হাজারো তরুণ-তরুণী সেশনজটের কারণে দীর্ঘশ্বাস ফেলছে। হাজারো শিক্ষার্থী মানসম্পন্ন শিক্ষা পাচ্ছে না, শুধু রাজনৈতিক বিবেচনায় শিক্ষক নিয়োগের কারণে। শিক্ষার্থীরা গবেষণার সামান্যতম দিকনির্দেশনা পাচ্ছে না শুধু উপযুক্ত শিক্ষক ও গবেষক নিয়োগ না দেওয়ার কারণে। এগুলো যদি একজন উপাচার্য না দেখেন তাহলে দেখবে কে? প্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়ন করতে গিয়ে যদি তিনি সরকার কিংবা রাজনীতির দ্বারা বাধাগ্রস্ত হন, তাহলে পদত্যাগ করবেন। তার প্রতিষ্ঠানের হাজারো শিক্ষার্থীদের কাছে দায়মুক্ত থাকার চেয়ে বড় আনন্দ আর কী-ই বা হতে পারে!মাননীয় উপাচার্যগণ, আপনাদের কাছে করজোড়ে বলছি, আপনারা অন্ধ, কালা হয়ে থাকবেন না। নিষ্পাপ ছেলেমেয়েগুলোর কথা ভাবুন। দেশের হাজার হাজার গরিব ছেলেমেয়ে আপনাদের প্রতিষ্ঠানে পড়তে আসে নিজেকে সুশিক্ষিত করার লক্ষ্যে, দরিদ্র্যতা ঘোচানোর জন্য। পরিবারগুলোকে আহার-ওষুধ দিয়ে বাঁচিয়ে রাখার স্বপ্ন নিয়ে। এই গরিব ছেলেমেয়েগুলোর রাষ্ট্রীয় অধিকার হলো উন্নত শিক্ষা পাওয়া। তাদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অধিকার আপনাদের কেউ দেয়নি!

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: উপাচার্যগোপালগঞ্জ
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্ক আগের তুলনায় আরও শক্তিশালী হবে: ট্রাম্প

মে ১৪, ২০২৬

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, আইনি জয় আলবানিজের

মে ১৪, ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে আবার নৌ চলাচল নিশ্চিতে খসড়া প্রস্তাব, সমর্থন ১১২ দেশের

মে ১৪, ২০২৬

বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ৪০ ব্যক্তিত্বকে হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটি’র সম্মাননা

মে ১৪, ২০২৬
ফাইল ছবি

লেবাননে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশির একজনের মরদেহ উদ্ধার

মে ১৪, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey January 2026 Bkash Stickey September 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT