ইসি পুনর্গঠন নিয়ে সংলাপের জন্য বিএনপিসহ কয়েকটি দলকে সময় দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদ।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জানিয়েছেন, আগামী ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির সঙ্গে আলোচনা করবেন তিনি। এরপর ২০ ডিসেম্বর বসবেন জাতীয় পার্টির সঙ্গে। ২১ ডিসেম্বর সময় দিয়েছেন ২১ ডিসেম্বর লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ও কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগকে এবং ২২ ডিসেম্বর জাসদ (ইনু) কে।
আগামী ফেব্রয়ারিতে নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। হিসাব অনুযায়ী নতুন নির্বাচন কমিশনের অধীনেই হবে পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
ঐক্যমতের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনে সরকারে প্রতি আহ্বান জানিয়ে গত ২১ নভেম্বর ৭ দফা প্রস্তাব দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
এরই মধ্যে গত ৬ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনে খালেদা জিয়ার প্রস্তাব রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে পৌঁছে দিয়েছে বিএনপি।
ওইদিন বঙ্গবভন থেকে বেরিয়ে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানান, রাষ্ট্রপতি বিদেশ থেকে আসার পর এ ব্যাপারে আলোচনার উদ্যোগ নেবেন।
তবে বিএনপির দেয়া প্রস্তাব সরকার প্রত্যাখ্যান করলেও গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনের সমাপনী বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সকলের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন রাষ্ট্রপতি। এবং আওয়ামী লীগ তা মেনে নেবে।
নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনে ২৬ নভেম্বর বেশ কিছু নতুন প্রস্তব দেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদও। ৫ দফা দাবি জানিয়ে নির্বাচন পদ্ধতি সংস্কারসহ ভোটের আনুপাতিক হারে আসন বন্টনের প্রস্তাবও দেন তিনি।
এছাড়াও রাষ্ট্রপতির কাছে সময় চান কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ এবং জাসদ। তাদেরও সময় দিবেন রাষ্ট্রপতি।








