যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘এক চীন’ নীতি থেকে বেরিয়ে আসার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তাইওয়ান নয়, বরং শুধু চীনের সাথে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক রাখা নীতি অব্যাহত রাখা উচিত কিনা, এমন প্রশ্ন ছুড়েছেন ট্রাম্প। আর তাইওয়ানকে বিচ্ছিন্নতাকামী প্রদেশ বিবেচনা করায় ট্রাম্পের বক্তব্যটি ক্ষুদ্ধ করেছে চীনকে।
ট্রাম্পের এমন বক্তব্যে চীনের রাষ্ট্রিয় গণমাধ্যম ইতিমধ্যে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। চীনের গ্লোবাল টাইমসের এক সম্পাদকীয়তে তারা ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, “এক চীন নীতি নিয়ে কোন বাণিজ্য হবে না।” ট্রাম্পের আচরণকে ‘শিশুসুলভ গোয়ার্তুমি’ বলেও অভিহিত করা হয়।
মার্কিন-চীন কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কয়েক দশক ধরেই নীতিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে বড় ধরনের কোন ছাড় ব্যতিত এই নীতিতে অটল না থাকার পক্ষে ট্রাম্প। ‘বাণিজ্যসহ অন্যান্য বিষয়ে চুক্তি ছাড়া’ এর কোন যুক্তি দেখেন না তিনি। ফক্স নিউজে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে চীনের অসহযোগিতার নানা অভিযোগও করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, চীনের মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ, নর্থ কোরিয়া বা সাউথ চীন সাগরে উত্তেজনার বিষয়গুলোতে তারা সহযোগিতা করছে না। তাইওয়ানের নেতার সাথে কথা বলার বিষয়টিতে চীনের নাক গলানোতেও ট্রাম্পের আপত্তি।
এই সাক্ষাৎকারেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তার জয়ে রাশিয়া প্রভাব রেখেছে বলে সিআইএ’এর মূল্যায়নকেও উড়িয়ে দেন ট্রাম্প।
১৯৭৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে তাইওয়ানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্নের পর প্রথমবারের মতো দ্বিপ দেশটির কোন রাষ্ট্রপতির সাথে কথা বলেন মার্কিন নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট।







