বাগেরহাটের মোল্লাহাটে বিয়ের দ্বিতীয় রাতে ইডেন কলেজ ছাত্রী শরিফা আক্তার পুতুল (২১) হত্যায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী স্বামী শিকদার মাহমুদুল আলম র্যাব-৬ এর হাতে গ্রেফতার হয়েছে।
গত বছরের ১২ মে মাহমুদুলকে স্বামীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়া হয়। হত্যা মামলার রায়ে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান খান ওই দণ্ডাদেশ দেন।
শরীফা ছিলেন রাজধানীর ইডেন কলেজের ইতিহাস বিভাগের ছাত্রী। তার বাড়ি মোল্লাহাট উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের উদয়পুর দৈবকান্দি গ্রামে। শরীফার স্বামী মাহমুদুলের (৩৫) বাড়িও একই গ্রামে। জামিনে মুক্ত হয়ে এতদিন সে পলাতক ছিল।
মামলার বিবরণের বরাত দিয়ে ওই সময় রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেছিলেন, বিয়ের দ্বিতীয় দিন, অর্থাৎ ২০১৩ সালের ১৩ মে দিবাগত রাতে পরকীয়া সম্পর্কের অভিযোগ তুলে শরীফাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে তার স্বামী। পরে সে নিজেই থানায় গিয়ে স্ত্রীকে হত্যার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করে।
হত্যার ঘটনার পর দিন মাহমুদুলের বিরুদ্ধে মোল্লাহাট থানায় হত্যা মামলা করেন শরীফার বাবা আবু দাউদ। গত ১০ নভেম্বর পুলিশ আসামীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করে। ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেয়ার পর আদালত রায় ঘোষণা করেন।










