দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা মামলায় চারদিনের মাথায় আরো এক বিএনপি নেতা ও সাবেক এমপি কারাদণ্ডাদেশ পেয়েছেন।
জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদ গোপনের মামলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং ঝিনাইদহ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও শৈলকূপা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ ওহাবকে আট বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। সে সঙ্গে তার কাছে থাকা ৯৩ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ জব্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন যশোরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক নিতাই চন্দ্র সাহা।
আট বছর আগে দায়ের হওয়া মামলায় রায় ঘোষণার সময় জামিনে থাকা ওহাব আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায়ের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
রায় অনুযায়ী, জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের কারণে দুদক আইনে তাকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩০ হাজার টাকা জরিমানা; অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অন্যদিকে, সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় তাকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১৫ হাজার টাকা জরিমানা; অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ২৬ অক্টোবর দুদকের মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ মশিউর রহমানকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত। এছাড়া জ্ঞাত আয় বর্হিভূত ১০ কোটি ৫ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত এবং ৭০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৯ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশও দেন যশোরের বিশেষ আদালতের বিচারক।
ওহাবের মতো মশিউর রহমানও জামিনে ছিলেন। রায়ের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
ওহাবের মামলায় রায়ের পর শৈলকূপা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান খান দিপু রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের কথা জানিয়ে বলেন, ‘সরকারের নীল নকশার অংশ’ হিসেবে এই রায় দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত শৈলকূপা উপজেলায় হরতালের ঘোষণা দেন তিনি। মশিউর রহমানের মামলায় রায়ের পরও বিএনপি সেখানে আধাবেলা হরতাল ডেকেছিল।








