দেশে সব ফলেরই উৎপাদন বেড়েছে। এই দৌড়ে সব চেয়ে এগিয়ে আছে আম। মৌসুমী এই ফলের উৎপাদন ও বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন লাখ লাখ মানুষ। সম্পর্ক গড়ে উঠেছে হাজার হাজার কোটি টাকার। কিন্তু ফল বাণিজ্যের এই বিশাল ক্ষেত্র নিয়ে সরকারি প্রস্তুতি ও তৎপরতা না থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন চাষী ও বাগানমালিকরা।
আম মানেই রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বহুকাল প্রচলিত এই চিত্রটি এখন পাল্টে গেছে। আম উৎপাদন হয় না এমন জায়গা দেশে খুঁজে পাওয়া ভার। প্রতি বছরই বাড়ছে বাগান ও আমের উৎপাদন। সে সঙ্গে বাড়ছে বাণিজ্যের আকার। আর সেরা বিবেচনাটিও যার এলাকার আম তার কাছে সেরা।
রাজশাহীর বাঘা উপজেলার লোকেরা যেমন দাবি করছেন, তাদের এলাকার আমই সেরা। ঠিক তেমনই চাঁপাইনবাবগঞ্জের চাষীরাও। তবে চুয়াডাঙ্গার কৃষকেরাও পিছিয়ে নেই আম উৎপাদনের ক্ষেত্রে। দাবি, আম উৎপাদনের ইতিহাসে তারাও খুব একটা নতুন নয়।
সেরা আমের গর্ব, বাণিজ্যের প্রসার আর দেশের মানুষের কাছে সুমিষ্ট এই ফল পৌছে দেওয়ার কৃতিত্ব চাষীর। আমের রাজধানী খ্যাত রাজশাহীর চাষীরা বলছেন, কারো পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ পান না তারা।
তাদের দাবি, তার টাকা খরচ করে আম উৎপাদন করলেও সরকারের পক্ষ থেকে কোন প্রকার সহযোগিতা না পাওয়ায় লাভ ঘরে তুলতে পারছেন না তারা। তবে কৃষি অধিদপ্তরের দাবি কৃষকের সচেতনতার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন তারা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর হিসাবে, এবার দেশে আমের উৎপাদন পুরনো সব হিসেবকে ছাড়িয়ে যাবে।
কিন্তু আমের উৎপাদন ও বাণিজ্যের প্রতিটি স্তরে চাষী, বাগানমালিক ও ব্যবসায়ীদেরকে কতখানি নিয়মের মধ্যে আনা সম্ভব প্রশ্ন সেখানে।







