অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপনের অভিযোগের মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমানউল্লাহ আমানকে জামিন দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
আমানের জামিন আবেদন মঞ্জুর করে বুধবার প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন পাচ বিচারপতির আপিল বিভাগ আদেশ দেন। আদালতে আমানউল্লাহ আমানের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। রাষ্ট্র পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।
২০০৭ সালের ২১ জুন অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের বিবরণীতে তথ্য গোপনের দায়ে আমানউল্লাহ আমানকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত। অপরাধে প্ররোচনা দেওয়ার জন্য দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় একই আদালত তার স্ত্রী সাবেরাকেও ৩ বছরের কারাদণ্ড দেন। পরবর্তীতে এই দম্পতির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১০ সালের ১৬ আগস্ট হাইকোর্ট তাদের দুর্নীতির অভিযোগ থেকে খালাস দেন।
এরপর ২০১৪ সালের ২৬ মে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বাতিল করে তাদের আপিলের ওপর নতুন করে শুনানির নির্দেশ দেন। সম্প্রতি তাদের করা আপিল খারিজ করে বিচারিক আদালতের সাজার রায় বহাল রাখেন হাইকোর্ট এবং দুই সপ্তাহের মধ্যে তাদের নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন।
একপর্যায়ে গত ১০ সেপ্টেম্বর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এ বিচারক মো. আবুল কাশেমের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন আমানউল্লাহ আমান। তবে আদালত আমানউল্লাহ আমানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সেই সঙ্গে আদালত কারা কর্তৃপক্ষকে জেল কোড অনুযায়ী আমানউল্লাহ আমানকে কারাগারে প্রথম শ্রেণির ডিভিশন দেওয়ার নির্দেশ দেন। একই মামলায় আমানউল্লাহ আমানের স্ত্রী এখন জামিনে আছেন।









