জুয়েল রানার নান্দনিক চিপ। সেই চিপে ডিফেন্ডার থেকে মিডফিল্ডার বনে যাওয়া নাসিরুদ্দিন চৌধুরীর সাইডহেড। এরপর ম্যাচের শেষ মিনিটে ওই সোহেলের পাস থেকে সানডে চিজবার গোল। আর তাতেই শেখ জামালকে ২-০ গোলে হারিয়ে ঘরোয়া ফুটবলের সবচেয়ে আকর্ষণীয় টুর্নামেন্ট প্রিমিয়ার লিগে রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো চ্যাম্পিয়ন দেশের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব ঢাকা আবাহনী।
গত আসরে চট্টগ্রাম আবাহনীকে ৫ পয়েন্টের ব্যবধানে পেছনে ফেলে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়ে রেকর্ড পঞ্চমবারের মতো শিরোপা জিতে নেয় আকাশী-নীল শিবির। পেশাদার লিগে এটি দশম আসর। এখন পর্যন্ত আবাহনী সবচেয়ে বেশি ছয়বার, শেখ জামাল তিনবার এবং শেখ রাসেল একবার শিরোপার স্বাদ পেয়েছে।
টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে জামালের অন্তত ‘ড্র’ দরকার ছিল। আর আবাহনী হেরে গেলে নিজেদের শেষ ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকতে হতো।
কিন্তু বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে সেই অপেক্ষায় থাকতে চায়নি আবাহনী। প্রথমার্ধে প্রায় একচেটিয়া ফুটবল খেলে গোল আদায় করে নেয় দলটি।
২২তম মিনিটে পরপর দুটি কর্নার পায় আবাহনী। সোহেল প্রথম কর্নার বক্সে উড়িয়ে মারলে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার হেড করেন। আবার কর্নার। সোহেল এবার ছোট করে শট নেন। দেন ইমন মাহমুদকে। ইমন আবার ব্যাকপাসে সোহেলকে বল ছাড়েন। ততক্ষণে বক্সের সামনে বেশ জায়গা পেয়ে যান সোহেল। রুবেলকে হেসেখেলে ডজ দিয়ে কয়েক পা সামনে এগিয়ে দেখেশুনে দারুণ একটি চিপ করেন। বল পড়ে নাসিরুদ্দিনের মাথায়। ২৩তম মিনিটে সন্দেশের মতো উড়া আসা ওই ক্রসটি সাইডহেডে জালে পাঠান নাসির। লিগে এটি তার ষষ্ঠ গোল।
১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় শেখ জামাল। ফিরেও আক্রমণের ধার বাড়াতে ব্যর্থ তারা।
বরং ৫৬তম মিনিটে তারা আবার পিছিয়ে পড়তে পারতো। সানডে চিজবা শেখ জামালের বক্সে ঢুকে পড়েন। তিনজন ঘিরে রেখেছিলেন তাকে। তার ভেতরেই শট নেন। টার্গেট ঠিক রাখতে পারেননি।
৮২তম মিনিটে বক্সের ডানকোণায় ফ্রি-কিক পায় শেখ জামাল। বিপজ্জনক জায়গায় সেটপিস পেয়েও বারের অনেক উপর দিয়ে মারেন সোলেমান।
সানডে চিজবা বল জালে পাঠান ম্যাচের শেষ মিনিটে। বক্সের ঠিক সামনে থেকে তাকে বল ছাড়েন প্রথম গোলের যোগানদাতা সোহেল। চিজবা একজনকে ডজ দিয়ে একটু সামনে যেয়ে লেটসুইং শটে ব্যবধান ২-০ করেন।







