সিলেট পর্বের প্রথম ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ৩২ রানে হারিয়ে বিপিএলে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে গেছে ফরচুন বরিশাল। হেভিওয়েট দুদলের লড়াইটা হয়েছে একপেশে। পার্থক্য গড়ে দেন সাকিব আল হাসান। বরিশাল অধিনায়কের অলরাউন্ড নৈপুণ্যের কাছে কুমিল্লার করে অসহায় আত্মসমর্পণ।
বিপিএলে সাকিব ম্যাজিক চলছেই। চট্টগ্রামে আগের ম্যাচে ব্যাট হাতে ৫০ রান ও বোলিংয়ে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন তারকা অলরাউন্ডার। ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন সিলেটেও।
এদিন সাকিব ব্যাটে ফিফটি ছুঁয়ে পরে তুলে নেন ২ উইকেট। ৪ ওভারে দেন মাত্র ২০ রান। সহজেই কুমিল্লাকে হারায় বরিশাল।
সোমবার সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে দুপুরের ম্যাচে ১৫৫ রানের পুঁজি নিয়েও বড় ব্যবধানে জিতেছে আসরের অন্যতম বোলিংশক্তির দলটি।
সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন মুমিনুল হক। বাঁহাতি খেলেন ৩০ বল। মারেন তিনটি চার। কুমিল্লার ইনফর্ম ওপেনার লিটন দাস ১৭ বলে ১৯ রান করে থামেন। মারেন চারটি বাউন্ডারি।
করিম জানাত ১৩ বলে ১৭ ও তানভির ইসলামের ১৪ বলে অপরাজিত ২১ রানের ইনিংসে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৩-এ শেষ করে কুমিল্লা।
নাঈম হাসান ৪ ওভারে ২৯ রানে নেন ৩ উইকেট। সাকিব ছাড়াও ডোয়াইন ব্রাভো নেন ২ উইকেট। একটি উইকেট নিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ব্যাট হাতে খারাপ সময় পার করা ক্রিস গেইল করেন ২ ওভার। তিনি উইকেট পাননি।
সমান ৯ পয়েন্ট নিয়ে লড়াইয়ে নামে হেভিওয়েট দুই দল বরিশাল-কুমিল্লা। টস হেরে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৫৫ রান তোলে বরিশাল। ব্যাট হাতে এদিনও জ্বলে উঠতে পারেননি গেইল। ৮ বলে ২ চারে ১০ রান করে তানভীর ইসলামের বলে ক্যাচ দেন।
নাজমুল হোসেন শান্ত কেবল ১ রান করে ফেরেন। ওপেনিংয়ে মুমিন শাহরিয়ার আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ২৫ বলে ৪ চার ও ৩ ছক্কায় করে যান ৪৫ রান। মঈন আলির বলে ফ্লিক করতে গিয়ে মিডঅনে ইমরুলের তালুবন্দি হন। বরিশালের তখন ৩ উইকেটে ৬৯ রান।
পরে তৌহিদ হৃদয়কে নিয়ে ৬৭ রানের জুটি গড়েন সাকিব আল হাসান। মি. অলরাউন্ডার তুলে নেন ফিফটি, ৩৭ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় খেলেন ৫০ রানের ইনিংস। করিম জানাতের ফুলটসে স্লগ করতে যান সাকিব, লংঅনে মুমিনুলের ক্যাচ হন।
১০ রানের বেশি করতে পারেননি ডোয়াইন ব্রাভো। মোস্তাফিজুর রহমানের করা ১৯তম ওভারের পঞ্চম বলে সোজা ব্যাটে খেলে ইমরুলকে ক্যাচ দেন।
হৃদয় ২ চারের মারে ৩১ রানে অপরাজিত থাকেন, বল খেলেন ৩৭টি। তিন বল খেলে ৩ রানে অপরাজিত থাকেন নুরুল হাসান সোহান।
কুমিল্লার তানভীর ২২ রানে নেন ২টি উইকেট। একটি করে উইকেট পান মোস্তাফিজ, মঈন ও জানাত।









