অনুষদ ভবন হস্তান্তর, ল্যাবরুম ও মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া ল্যাবের সুষম বন্টনসহ ৫ দফা দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত তারা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের আশ্বাসে মঙ্গলবার সকাল ১১টা পর্যন্ত বিক্ষোভ কর্মসূচি স্থগিত করা হয়।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, গত ৩১ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোঃ আবু তাহের আইসিটি বিভাগকে আজ (১১ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অনুষদ ভবনে (একাডেমিক ভবন-৪) ক্লাসরুম বুঝিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু আজ রেজিস্ট্রার বিশ্ববিদ্যালয়েই আসেননি। আইসিটি মন্ত্রনালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি ল্যাব বরাদ্ধ পেয়েছে, যার কোনোটিই আইসিটি বিভাগ পায়নি।
তাদের অভিযোগ, ল্যাব দুটি অন্য একটি বিভাগকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ প্রকৌশল অনুষদে বিভাগ আছে ২টি। এছাড়াও বিভাগটিতে শিক্ষক সংকট নিরসন ও বিভাগ নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে এক শিক্ষকের বক্তব্য প্রত্যাহারসহ মোট ৫ দফা দাবি উত্থাপন করে ক্লাস পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়ে প্রশাসনিক ভবনের সামনে আন্দোলন শুরু করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অনুষদের ডিন, প্রক্টরিয়াল বডি, আইসিটি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকদের সাথে আলোচনায় বসেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
আলোচনা শেষে মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারের সাথে আলোচনা হবে প্রক্টরের এমন আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ স্থগিত করে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. কাজী কামাল বলেন, আমাদের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা আগামীকাল পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি উঠিয়ে নিয়েছে। আমরা দাবিগুলোর যৌক্তিক একটা সমাধান করার চেষ্টা করব। যেসব দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব তা সমাধান করার জন্য চেষ্টা করব।
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোঃ আবু তাহের বলেন, ঠিকাদাররা ঠিকমতো কাজ শেষ না করায় মূলত এ সমস্যা হচ্ছে। ঠিকাদারদের ব্যাপারে আমরা মন্ত্রণালয়ের সাথে বসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব। তবে আজকে রাতের ভেতর অন্তত দুটি রুম হলেও ঠিক করার নির্দেশ দিয়েছি যা আগামীকাল বিভাগটিকে দিতে পারি।








