বিচারপতি মো. মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়া ব্লু হোয়েল গেম বন্ধ চেয়ে করা রিটের শুনানি চলছিল। এসময় রিটের পক্ষের আইনজীবী মো: হুমায়ন কবির পল্লব আদালতকে বললেন: মাই লর্ড। যে তিনজন আইনজীবী এই রিট করেছেন তাদের একজন মনে করেন, এই গেম খেলে মারা যাওয়াদের লক্ষণের সাথে তার মেয়ের মৃত্যুর মিল রয়েছে।
তখন আদালত বলেন কোন আইনজীবী? এসময় আদালতে উপস্থিত আইনজীবী সুব্রত বর্ধন বলেন, মাই লর্ড আমি। আদালত বলেন, আপনার মেয়ে মারা গেছে? তার বয়স কত ছিল? কোন ক্লাসে পড়ত?
আইনজীবী সুব্রত বর্ধন তখন বলেন: আমার মেয়ে স্বর্ণা মারা গেছে। ওর বয়স ছিল ১৪। গত ৫ অক্টোবর ও মারা যায়। মাই লর্ড, আমার মেয়ে হলিক্রস স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে ফার্স্ট গার্ল ছিল।
এসময় আইনজীবী সুব্রত বর্ধন তার মেয়ের একটি ছবি আদালতের কাছে উপস্থাপন করলে বিচারপতি মো. মইনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন: যার চলে যায় সেই বোঝে হায় বিচ্ছেদে কী যন্ত্রণা!
এরপর রিটের শুনানি শেষে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়া ব্লু হোয়েল গেমসহ এ জাতীয় সকল অনলাইন গেমের ইন্টারনেট গেটওয়ে লিংক বন্ধের নির্দেশ দেন বিচারপতি মো. মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ। একইসঙ্গে ব্লু হোয়েল গেমসহ এ জাতীয় সকল অনলাইন গেম বন্ধের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেছেন হাইকোর্ট।







