পেসারের ক্ষেত্রে ক্লোজে পাঁচজন। স্পিন আসলে তিনজন। কখনো চারজন। ঢাকা টেস্টের তৃতীয় দিন দুই সেশন নাগাদ এভাবে আক্রমণাত্মক ফিল্ডিং সাজিয়ে জিম্বাবুয়েকে চাপে রেখেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: জিম্বাবুয়ে-১৯৫/৫
বৈচিত্র্যময় ফিল্ডিং সাজিয়ে সাফল্যও পেয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত চার ব্যাটসম্যান সাজঘরে ফিরেছেন। গতকাল ফিরেছিলেন একজন।
সকালে ত্রিপানোকে মিরাজের ক্যাচ বানান তাইজুল। আগের দিন শেষ বিকেলে ব্যাট করতে নামা এই বোলার ৪৬ বল খেলে ৮ রান করেন। চারিকে (৫৩) ক্লোজে থাকা মুমিনুলের হাতে ধরা পড়তে বাধ্য করেন মিরাজ।
এরপর দারুণ এক ডেলিভারিতে উইলিয়ামসকে (১১) বোল্ড করেন তাইজুল। সিকান্দার রাজাকেও (০) বোল্ড করেছেন তিনি।

দ্বিতীয় দিন ৭ উইকেট হারিয়ে ৫২২ রান তুলে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে সফরকারী জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ছিল ১ উইকেটে ২৮ রান।
মুমিনুল হকের ১৬১ রানের ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশ প্রথম দিন শেষ করে ৫ উইকেটে ৩০৩ জমা করে। দ্বিতীয় দিনে উইকেট পড়ে মাত্র দুটি। যোগ হয় ২১৯ রান। মুশফিক ও মেহেদী হাসান মিরাজের অষ্টম উইকেট জুটিতে অবিচ্ছিন্ন থাকেন ১৪৪ রান তুলে।
অষ্টম উইকেটে এটিই বাংলাদেশের সেরা জুটি। ২০১০ সালে চট্টগ্রামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নাঈম ইসলামের সঙ্গে মুশফিকের ১১৩ রানের জুটি ছিল আগের সর্বোচ্চ। ইনিংস ঘোষণার আগে মুশফিক ২১৯ ও মিরাজ ৬৮ রানে অপরাজিত থাকেন।










