ঘড়ি, গাড়ি, জুতো থেকে শুরু করে গৃহস্থালি নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান; সকলেই চায় বিরাট কোহলি তাদের পণ্যের বিপণন করুন। এরকম ২১টি পণ্যের দূতিয়ালি করছেন ভারত অধিনায়ক। হয়েছেন ভারতের সর্বোচ্চ আয়কারী অ্যাথলেট। খুব দ্রুতই তার পেছনে পড়তে যাচ্ছেন দেশটির সাবেক অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিও।
শেষ ১২ মাসে দূতিয়ালি করে ২৪ মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন কোহলি। এত অর্থ আয় করে ঢুকে গেছেন ফোর্বস ম্যাগাজিনের বছরের সর্বোচ্চ আয়কারী ১০০ অ্যাথলেটের তালিকায়। ভারত অধিনায়ক আছেন ৮৩ নম্বর তালিকায়। পেছনে ফেলেছেন নোভাক জোকোভিচ, সার্জিও আগুয়েরোর মতো তারকাদের। তালিকার শীর্ষে আছেন বক্সার ফ্লয়েড মেওয়েদার, দ্বিতীয় স্থানে বার্সেলোনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি।
যেভাবে এগোচ্ছেন কোহলি, অর্থের ঝনঝনানিতে খুব শীঘ্রই তার পেছনে চলে যাবেন ধোনি। ২০১৫ সালে বার্ষিক ৩১ মিলিয়ন ডলার আয় করেছিলেন ভারতকে দুটি বিশ্বকাপ জেতানো অধিনায়ক ধোনি।
টিসোট, অডি, পুমা, উভার, হিরো মোটরবাইকের মতো বিশ্ববিখ্যাত প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন করেন কোহলি। মাঠের পারফরম্যান্সের সঙ্গে সঙ্গে কোহলির চাহিদা আরও বেড়েছে বলিউডের জনপ্রিয় নায়িকা আনুশকা শর্মাকে বিয়ে করার কারণে। প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই চায় জনপ্রিয় এ জুটিকে দিয়ে পণ্যের বিজ্ঞাপন করাতে। তরুণদের আদর্শে পরিণত হয়েছেন কোহলি। ঢুকে গেছেন মধ্যবিত্তদের ঘরেও। মুখের কথা আরও সংযত করতে পারলে এই চাহিদা আকাশচুম্বী হতে পারে বলে ধারণা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিপণন কর্মকর্তাদের।









