বিজ্ঞানমনস্ক লেখক ও মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ রায় হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১১ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।
সোমবার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তদন্ত সংস্থা ডিবি পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর হাকিম গোলাম নবী নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।১
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি বইমেলা থেকে বের হওয়ার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় ব্লগার অভিজিৎ রায়কে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ওই ঘটনায় গুরুতর আহত হন তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ।
অভিজিৎ রায় হত্যাকান্ডের পরে শাহবাগ থানায় অভিজিতের বাবা অধ্যাপক ড. অজয় রায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় এ পর্যন্ত ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কারাগারে থাকা আসামিরা হলেন- মো. তৌহিদুর রহমান গামা, শফিউর রহমান ফারাবী, সাদেক আলি মিঠু, আমিনুল মল্লিক, জুলহাস বিশ্বাস, মো. জাফরান হাসান ও মান্না ইয়াহিয়া ওরফে মান্না রাহী।
এছাড়াও গত ৬ নভেম্বর রাতে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের অভিযানে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন এ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি সোহেল ওরফে সাকিব নামে একজন। পুলিশ জানায় সোহেল অভিজিৎ রায় হত্যায় সরাসরি অংশ নিয়েছিল। সে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সক্রিয় সদস্য।
অভিজিৎ রায় হত্যার সময়কার ঘটনাস্থলের আশপাশ থেকে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশ। এরপর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ফেসবুক পেজে সোহেলসহ ছয়জনের ছবি দিয়ে তাদের ধরিয়ে দিতে বলা হয়।
এদিকে হত্যাকাণ্ডের কয়েকদিন পর আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখা (একিউআইএস) ওই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকারের খবর দেয় জঙ্গিগোষ্ঠীর ইন্টারনেটভিত্তিক তৎপরতা নজরদারি করা ওয়েবসাইট ‘সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ।’
বাংলাদেশ সরকার অবশ্য বরাবরই বলে আসছে, এসব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠীর কোনো সম্পর্ক নেই।







