নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মার্টিন ক্রো মাত্র ৫৩ বছর (১৯৬২-২০১৬) বয়সেই
চলে গেলেন না ফেরার দেশে। বৃহস্পতিবার পরিবারের সদস্যবেষ্টিত থেকেই
অকল্যান্ডে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন নিউজিল্যান্ডের এ ব্যাটিং প্রতিভা।
গত কয়েক মাস থেকে নিভৃতে জীবনযাপন করা মার্টিন ২০১২ সাল থেকেই ব্লাড ক্যান্সার লিমফোমা রোগে ভুগছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে গভীর দুঃখের সাথে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই ব্যাটসম্যানের মৃত্যুর খবরটি প্রকাশ করা হয়।
১৯৮২ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৯ বছর বয়সে অভিষিক্ত এবং মাত্র ৩৩ বছর বয়সেই অবসরের পর একাধারে লেখক, সম্প্রচারক এবং পরামর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই ক্রিকেটারের পরিবার জানায়, ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে শেষ পর্যায়ের ডাবল হিট লিমফোমা (ডিএইচএল) ধরা পরার পর আজ বৃহস্পতিবার তিন মার্চ অকল্যান্ডে পরিবার বেষ্টিত অবস্থায় তিনি মারা গেছেন।
নিউজিল্যান্ডের হয়ে রেকর্ড ১৭টি টেস্ট সেঞ্চুরির মালিক মার্টিন, যার মধ্যে রয়েছে ওয়েলিংটনের বেসিন রিজার্ভে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেই ২৯৯ রানের বিখ্যাত ইনিংসটি। ভারতের বিপক্ষে ২০১৪ সালে সেই একই স্টেডিয়ামে ব্র্যান্ডন ম্যাককলাম ৩০২ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলে মার্টিনের সেই সর্বোচ্চ রানের জাতীয় রেকর্ডটি দখল করেন।
উদ্ভাবনী এবং দলকে উদ্দিপ্ত করার নেতৃত্বগুণের মাধ্যমে গত বিশ্বকাপের আগে দলের সেরা সাফল্য সেমিফাইনালে নিয়ে গিয়েছিলেন ১৯৯২ ক্রিকেট বিশ্বকাপে। যেখানে পরবর্তীতে শিরোপাজয়ী পাকিস্তানের কাছেই সামান্য ব্যবধানে হেরে যায় কিউই দল।
হাঁটুর ইনজুরির জন্য ১৯৯৫ সালে অবসরে যাওয়ার পরেও গঠনমূলক কাজে ব্যস্ত থাকেন মার্টিন। টেলিভিশন ধারাভাষ্যকার, ভিন্ন সংস্করণের ‘ক্রিকেট ম্যাক্স’ এর প্রবক্তা (যা থেকে পরে টি-২০ খেলার আবির্ভাব), জাতীয় দলের কয়েকজন সদস্যের পরামর্শকসহ (যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন রস টেইলর) লেখালেখির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন অসামান্য প্রতিভাধর অধিনায়ক-ব্যাটসম্যান মার্টিন ক্রো।






