অন্যায়, অপকর্ম, অনিয়ম-দুর্নীতি ও শৃঙ্খলা বিরোধী অ্যাকশনে সরকার ও আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হচ্ছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
মঙ্গলবার সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন: যারা অপরাধের সঙ্গে জড়িত সকলেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারিতে আছে। এর মধ্যে যারা আওয়ামী লীগ কিংবা আমাদের সহযোগী সংগঠনে রয়েছে, প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলেই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন: বেশ কিছু রাজনৈতিক নেতার দেশ ছাড়ার বিষয়টি নজরদারিতে রাখা হয়েছে। তবে কারও দেশ ছাড়তে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়নি। নজররদারি তালিকায় আওয়ামী লীগ নেতার সংখ্যা বেশি বলে এসময় জানান তিনি।
ক্যাসিনো ব্যবসা দেশে বৈধতা পাবে কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন: ক্যাসিনো ব্যবসাকে আইনি কাঠামোতে আনা হবে কিনা, এখনই এ বিষয়ে নীতিগত কোন সিদ্ধান্ত এখনও নেই। এটা সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত।
এর আগে সচিবালয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত এবং বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলের বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন: আমি তাদের বলেছি, পদ্মাসেতু প্রকল্পে আপনারা আমাদের একটি বড় অভিজ্ঞতা দিয়ে চলে গেছেন। সুন্দর সুন্দর কথা বলে আপনারা আবার কেটে পড়বেন না তো? এটাও আমি তাদের জিজ্ঞেস করেছি।
তিনি আরও যোগ যোগ করেন: তারা বলেছে আমরা আন্তরিকতার মন নিয়ে এসেছি। এসময় বিশ্বব্যাংকের পদ্মাসেতু প্রকল্প থেকে সরে যাওয়া ভুল সিদ্ধান্ত ছিলো বলে বিশ্বব্যাংকের অবস্থা পুনঃব্যক্ত করেছে প্রতিনিধি দলটি।







