‘গুড ডে শিকাগো ফক্স থার্টি টু’র জনপ্রিয় সংবাদ উপস্থাপক ক্রিস্টেন নিকোল। সংবাদ পাঠে দক্ষতার জন্য পুরস্কারও জিতেছেন তিনি। অন্য সব দিনের মতোই সংবাদ পাঠ করতে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বিপত্তি বাঁধল তার পোশাক নিয়ে। আঁটসাঁট পোশাকে ভালোভাবেই বোঝা যাচ্ছিল যে তিনি অন্তঃসত্ত্বা। আর তা নিয়েই শুরু হয় নানা বিরূপ মন্তব্য।
অবশ্য যারা বিরূপ মন্তব্য করেছেন তাদেরকে বেশ কড়া জবাব দিয়েছেন ক্রিস্টেন নিকোল নিজেই। সেদিনের সেই নীল পোশাকের বেশ কয়েকটি ছবি শেয়ার করেছেন নিজের ভ্যারিফাইড ফেসবুক পেজে। ‘লেট মি সেভ ইউ সাম ট্রাবল’ ক্যাপশনের সেই পোস্টে তিনি সহস্রাধিক প্রতিক্রিয়া পেয়েছেন। সেখানে তিনি তার ইমেইল অ্যাড্রেস জানিয়ে লিখেছেন, ‘কারও যদি আমার বেবি বাম্প নিয়ে আপত্তি থাকে, তাহলে ইমেইলের উত্তরের আশা করবেন না। কারণ তা আসবে না। আগেও প্রতি মাসেই একবার করে এই পোশাকটি পরেছি। তখন তো কেই আপত্তি জানায়নি।’
এরপর তিনি তিনজনের নাম উল্লেখ করে বলেন, ‘ক্যারেন, জিনি এবং সাবরিনা; যারা আমাকে আজ লিখেছেন, সময়টাকে ভালো কাজে ব্যয় করুন। মানুষের প্রশংসা করুন। ভালো কাজ করুন। আর যারা শুভকামনা এবং অভিনন্দন জানিয়েছেন, তারা এই শেষ ৬ সপ্তাহে আমাকে সাহস যুগিয়েছেন।’ এক সন্তানের মা ক্রিস্টেন নিকোল জানান তিনি সুস্থ এবং চাপমুক্ত গর্ভকালীন সময় কাটিয়েছেন। তার ছেলে এবং স্বামী এখন নতুন সদস্যকে দেখার জন্য অধীর আগ্রহ অপেক্ষা করছেন।
যে তিনজন ক্রিস্টেন নিকোলকে কটু মন্তব্য করেছিলেন তাদের একজন লিখেছিলেন, ‘তুমি কৃত্রিম বেবি বাম্প তৈরি করেছ খ্যাঁতি পাওয়ার উদ্দেশ্যে। আরেকজন লিখেছেন, ‘কবে থেকে প্রেগনেন্সির জন্য উপযোগী পোশাক পরা শুরু করবেন?’। তৃতীয় জন লিখেছেন, ‘আঁটসাঁট পোশাক পরা বন্ধ করো, এটা তোমার কোনো কাজে লাগবে না।’
নিকোল জানান, প্রথম পাঁচ মাস তিনি তার শারীরিক পরিবর্তনগুলো বেশ সচেতন ভাবেই লুকিয়ে রেখেছেন। নিউজ স্ক্রিপ্ট দিয়ে তার পেট ঢেকে রাখতেন তিনি। ঢিলে-ঢালা পোশাকও পরতেন। এরপর তার সহকর্মীরা আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছেন। এর মাঝে এ ধরণের কটু মন্তব্য তার মন ভেঙ্গে দিয়েছে। তবে ভক্তদের কাছ থেকে তিনি অনেক ভালবাসা এবং শুভকামনা পাচ্ছেন। ইয়াহু নিউজ।










