চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে সেনা মোতায়েন চায় ঐক্যফ্রন্ট

চলমান হামলা, মামলা আর গ্রেপ্তার অব্যাহত থাকলে ৩০ ডিসেম্বর অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে মাঠ পর্যায়ে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে সেনাবাহিনী মোতায়নের দাবি জানিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

রোববার রাজধানীর বিজয় নগরে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৩০০ আসনের প্রার্থীরা নানাবিধ বাধার সম্মুখীন হচ্ছে।সরকারের আজ্ঞাবহ হয়ে পুলিশ ধানের শীষের প্রার্থীদের বাধা দিচ্ছে।পুলিশ কর্মকর্তারা প্রার্থী, কর্মী সমর্থকদের শাসাচ্ছে। সরকারী দলের সন্ত্রাসীরা গুলি করছে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে শাসাচ্ছে। গায়েবী মামলায় প্রার্থী সহ-কর্মী সমর্থকদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। এমতাবস্থায় মাঠ পর্যায়ে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে মাঠে সেনাবাহিনী মোতায়নের দাবি জানাচ্ছি।

Advertisement

ড.কামাল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ভোটারদের হুমকি দেয়া হচ্ছে। প্রার্থীদের উপর হামলা হচ্ছে। এইভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে আশঙ্কা থেকেই যায় ভোটের দিন কী হবে!

প্রবীণ এই আইনজীবী বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। সেখানে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে। আপনারা সবাই জনগণের হয়ে পাহারা দেবেন।

নির্বাচন বানচালের চেষ্টা হচ্ছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আশঙ্কা তো আছেই। অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন হবে কি না শঙ্কা থাকছে। তবে জনগণ আমাদের সাথে আছে।

সংবাদ সম্মেলনে জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, কার্যকরী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, গণফোরামের কেন্দ্রীয় নেতা জগলুল হায়দার আফ্রিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।