গুপ্তহত্যার বিরুদ্ধে দেশবাসীকে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, গুপ্তহত্যা বন্ধে যা যা করণীয় তাই করা হবে। সন্ত্রাসী-জঙ্গিদের জন্য কারও যেন ‘মন না পোড়ে’ সে পরামর্শও দেন প্রধানমন্ত্রী।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় দীর্ঘ এগারো মাস কারাগারে থেকে ২০০৮ সালের ১১ জুন মুক্তিপান শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকের শুরুতেই দিনটিকে স্মরণ করে ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয় প্রধানমন্ত্রীকে।
বক্তৃতার শুরুতেই কারামুক্তির জন্য দেশবাসী, আওয়ামী লীগ ও এর তৃণমূল নেতা, প্রবাসী বাংলাদেশী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্রদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান আওয়ামী লীগ সভাপতি।
দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাওয়া সরকারের উন্নয়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতেই গুপ্তহত্যা বলে অভিযোগ
করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, জনগণের বাধার মুখে বিএনপি-জামায়াত প্রকাশ্য হত্যা বন্ধ করে গুপ্তহত্যা বেছে নিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী হুশিয়ার করেন যারা হত্যায় জড়িত তাদের ও তাদের অভিভাবকদের। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশকে যারা অস্থির বানাতে চায় এমন জঙ্গিবাদী-সন্ত্রাসকে ছাড় না দেয়ার ঘোষণাও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।










