চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মিটু-র মিথ্যে অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছিল সুশান্তকে, বললেন সঞ্জনা

সুশান্তের আত্মহত্যার পেছনের কারণ খুঁজতে পুলিশ জেরা করছে সুশান্তের কাছের এবং দূরের অনেককেই। মঙ্গলবার দীর্ঘ জেরার মুখে পড়তে হয়েছে দিল বেচারা ছবির অভিনেত্রী সঞ্জনা সাংঘিকে। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, মিটু-র মিথ্যে অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছিল সুশান্ত সিং রাজপুতকে।

দুই বছর আগে যখন দিল বেচারা ছবির শুটিং চলছিল, তখন কিছু সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, শুটিং সেটে সুশান্তের বিরুদ্ধে অশোভন আচরণের অভিযোগ এনেছেন সঞ্জনা। ‘মিটু’ আন্দোলনে জড়িয়ে যায় সুশান্তের নাম। সুশান্ত অবশ্য তখনই বলেছিলেন তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন। সংবাদ সম্মেলনও করেছিলেন। শেয়ার করেছিলেন সঞ্জনার সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় কথোপকথনের কিছু স্ক্রিনশট।

বিজ্ঞাপন

এই ব্যাপারে মঙ্গলবার সঞ্জনাকে পুলিশি জেরা করা হয় এবং তিনি জানিয়ে দিয়েছেন যে সেই অভিযোগ মিথ্যা ছিল। তিনি সেই সময়ে ওইরকম কোনো অভিযোগ তোলেননি।

পিঙ্ক ভিলায় এই প্রসঙ্গে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সঞ্জনা বলেছেন, ‘সবার মনে হয়েছে শুধু সুশান্তই ওই ঘটনায় ফেঁসেছেন। আমিও কিন্তু ঝামেলায় পড়েছিলাম। আমরা আমাদের সত্যটা জানি- আমি জানি তিনি আমার কাছে কী ছিলেন, তিনি জানতেন তাকে আমি কত পছন্দ করতাম। আমরা প্রতিদিন শুটিং সেটে যেতাম। যখন দুয়েক যায়গায় খবর প্রকাশ পায়, সেটা এড়ানো যায়। কিন্তু ফলাও ভাবে এসব ভিত্তিহীন খবর ছাপানো হলে, তাদেরকে আর সম্মান করতে ইচ্ছে হয়না।’

সঞ্জনা আরও বলেন, ‘মানুষ এখন আমাদের দুজনকে দেখবে, তারা সত্যটা জানবে। আমাদের সম্পর্ক বদলায়নি, কারণ সেরকম কিছুই ঘটেনি।’

নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে টুইটার,ইনস্টাগ্রামে সুশান্ত সঞ্জনাকে পাঠানো মেসেজের স্ক্রিনশট শেয়ার করেছিলেন। সেই প্রসঙ্গে সঞ্জনা বলেন, ‘তিনি আমার অনুমতি নিয়েছিলেন। আমি শেয়ার করতে বলেছিলেন। ভেবেছিলাম, হয়তো এতে উপকার হতে পারে।’

সঞ্জনা বলেন, ‘যদি সেরকম কোনো ঘটনা ঘটে থাকতো, তাহলে আমরা প্যারিসে শুটিং করে যেতাম না, ছবির কাজ শেষ করতাম না, ডাবিং করতাম না একসঙ্গে। সেরকম কোনো ঘটনাই ঘটেনি। মানুষকে অনুরোধ করবো, শুধু সত্যটা বিশ্বাস করুন।’

১৪ জুন রহস্যজনক ভাবে মৃত্যু হয় বলিউডের তারকা অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের। এদিন দুপুরে মুম্বাইয়ের নিজ বাসা থেকে এই অভিনেতার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর দিনই পুলিশের দেয়া রিপোর্টে বলা হয়েছে, আত্মহত্যা করেছেন এই অভিনেতা। বিগত ছয় মাস ধরে হতাশায় ভুগছিলেন। তবে কী কারণে হতাশায় ভুগছিলেন সেটি খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যেই পুলিশ।