চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

বাবরি মসজিদ ভাঙ্গা: বিজেপির উচ্চ পর্যায়ের নেতাসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ

বাবরি মসজিদ ভাঙ্গার মামলায় লালকৃষ্ণ আদভানি, মুরলি মনোহর জোশি এবং উমা ভারতীসহ বিজেপির উচ্চ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মামলা চলবে বলে জানিয়েছেন ভারতের সর্বোচ্চ আদালত। ওই তালিকায় আদভানি, জোশি, উমা ভারতীসহ মোট ২১ জনের নাম রয়েছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা ব্যুরো সিবিআইয়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি করারও নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। এই বিষয়ক শুনানি লখনৌ আদালতে হবে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।

বিজ্ঞাপন

২৫ বছর আগে, ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদের ওপর হামলায় উস্কানি ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে এই নেতাদের জড়িত থাকার অভিযোগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল সিবিআই। নিম্ন আদালতে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের ধারাটি রাখা হয়নি। এই ধারা যুক্ত করার আবেদন জানিয়েই সুপ্রিম কোর্টের সিবিআই দ্বারস্থ হয়েছিল।

গোয়েন্দা সংস্থাটির দাবি, ১৬ শতকে নির্মিত বাবরি মসজিদ হঠাৎ ধ্বংস হওয়া কোনো দুর্ঘটনা নয়। পরিকল্পনা করেই এ ঘটনাটি ঘটানো হয়েছিল। প্রাথমিক প্রমাণ হিসেবে একটি গোপন বৈঠকের কথাও উল্লেখ করা হয় সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে।

বিজ্ঞাপন

সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এবার সিবিআইয়ের এই দাবিকেই কার্যত স্বীকৃতি দিলেন। বিজারপতি পিসি ঘোষ এবং আর

উমা ভারতী, লালকৃষ্ণ আদভানি ও মুরলি মনোহর জোশি

এফ নরিমানকে নিয়ে গঠিত বেঞ্চ বলেন, ‘আমরা এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের আপিল বেশ কিছু নির্দেশনার নিরীখে মঞ্জুর করেছি।’

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মামলার আদেশ হলেও সেখান থেকে ছাড় পেয়েছেন উত্তরপ্রদেশের ওই সময়কার মুখ্যমন্ত্রী কল্যাণ সিং। বর্তমানে তিনি রাজস্থানের রাজ্যপাল হওয়ায় আপাতত তাকে ছাড় দেয়া হয়েছে। কল্যাণ সিং রাজ্যপাল থাকা পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে মামলার যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। পদ থেকে সরে গেলে তার নামেও অভিযোগ গঠন হতে পারে বলে এনডিটিভি জানিয়েছে।

১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ভাঙ্গার ঘটনায় পুরো ভারত জুড়ে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে। ওই ঘটনায় দেশজুড়ে ২ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা যায়।

Bellow Post-Green View