চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘নায়ক হওয়ায় ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও মণ্ডপে ঘুরতে পারি না’

আগে পূজা এলে হইহুল্লোড়ে কাটাতেন বাপ্পী চৌধুরীর। বন্ধু বান্ধবদের নিয়ে অস্থির এক সময় যেত। কিন্তু নায়ক হওয়ার পর অনেককিছু পাল্টে গেছে। চাইলেই পূজায় যে কোনো সময় মণ্ডপে মণ্ডপে বেড়াতে যেতে পারেন না। মজাও করতে পারেন না!

তাই বলে ঘোরাঘুরি মিস করেন না বাপ্পী। রাজধানীর ঢাকেশ্বরী, কলাবাগান, বনানীর বিভিন্ন মণ্ডপ ঘুরে বেড়ান বাপ্পী। প্রতিবারের মতো এবারও তাই করেছেন এ নায়ক।

কিছুটা অসুস্থ থাকার পরও তার বেড়ে ওঠা শহর নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন মণ্ডপে ঘুরেছেন। সন্ধ্যার পর বিভিন্ন প্যান্ডেলের সামনে গিয়ে গাড়ির মধ্য থেকেই মানুষের উচ্ছ্বাস খেয়াল করেছেন বাপ্পী চৌধুরী।

বিজ্ঞাপন

বাপ্পী চৌধুরী বলেন, মধ্যরাত থেকেই আমার পূজা শুরু হয়। সিনেমাতে আসার পর থেকে রাতের বেলা বেশী প্যান্ডেলে যাওয়া হয়। ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ঘুরতে পারি না। আমাকে দেখে মানুষজন ছুটে আসে, এতে অনেকসময় বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। রাত যত গভীর হয় পূজা মণ্ডপ অনেকটা ফাঁকা হয়, তখন চুপচাপ যাওয়া হয়। তবে বিসর্জনের দিন সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি।

নায়ক হওয়ার আগে পূজার স্মৃতি মনে করে বাপ্পী বলেন, ছোটবেলার পূজা অনেক মজার ছিল। কমপক্ষে একমাস আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতাম। তখন অনেক হইচই আর আড্ডা দিতাম। সকালে বের হয়ে অঞ্জলি নিতাম। আবার সন্ধ্যাবেলায় বের হয়ে আবার নাচানাচি, মাস্তি। শেষ করে আবার সারারাত বিভিন্ন মণ্ডপ ঘুরতাম। ভোরে বাসায় আসতাম।

তিনি বলেন, এভাবে চলতো পূজার চার দিন। তবে শুধু নারায়ণগঞ্জ থাকতাম না, নরসিংদী কখনও কুমিল্লা চলে যেতাম। এখন পূজা মানে অনেক দায়িত্ব বেড়ে যাওয়া। তারপরও পূজা আসে খুশির খবর নিয়ে। চেষ্টা করি বছরে এই চারটে দিন উৎসবের আমেজে কাটানো।

বিজ্ঞাপন