চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

জুভেন্টাসের অপেক্ষা আরও বাড়ল

চ্যাম্পিয়ন হওয়ার যাবতীয় মশলা মজুত ছিল। কিন্তু সেই উৎসব ভেস্তে গেল জুভেন্তাস হেরে যাওয়ায়। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য দরকার ছিল এক পয়েন্টের। সেখানে লজ্জার হার। এসপিএএলে কাছে ২-১ গোলে হেরেছে ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়নরা।

অপরাজিত চ্যাম্পিয়নের স্বপ্ন আগেই ভেস্তে গেছে জুভেন্টাসের। লিগে মৌসুমের দ্বিতীয় হার এসপিএএলের কাছে। একেবারে নিচের দিকের দলের কাছে হারতে হয়েছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দলের। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচের জন্য রোনালদোকে বিশ্রাম দিয়েছিলেন কোচ ম্যাস্সিমিলিয়ানো অ্যাল্লেগ্রি। শুধু রোনালদো নন, প্রথম একাদশের বেশ কিছু ফুটবলারকে বিশ্রাম দিয়েছিলেন। সেটাই কাল হয়েছে।

মূলত জুনিয়র দল নামিয়েছিলেন অ্যাল্লেগ্রি। দলের সবচেয়ে বেশি বয়সের ফুটবলারের বয়স পঁচিশ। সবচেয়ে কমবয়সী পাওলো গোজ্জি। বয়স ১৭। অভিজ্ঞতায় পিছিয়ে পড়েছিল জুভেন্টাস। একমাত্র পাওলো দিবালা ছিলেন দলে। কিন্তু তিনিও মাঝমাঠ থেকে সাহায্য পাননি। পুরো ম্যাচ খেলেছেন উদ্দেশ্যহীনের মতো।

জুভেন্টাসের চ্যাম্পিয়নের উৎসব পিছিয়ে পরের শনিবার হতে পারে। ফিওরেন্টিনার বিরুদ্ধে ম্যাচ সেদিন। বুধবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচ। সেখানেই রোনালদোদের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ভবিষ্যৎ পরিষ্কার হয়ে যাবে। ফলে তরতাজাভাবে খেলতে পারবেন রোনালদোরা। শনিবার ম্যাচে হেরে যদিও কোনো চিন্তার মধ্যে থাকতে হচ্ছে না দিবালাদের। হেরেও নাপোলির থেকে ২০ পয়েন্টে এগিয়ে জুভেন্টাস।

৩০ মিনিটে ময়েস কিনের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল জুভেন্টাস। পরপর ম্যাচে গোল করে যাচ্ছেন দলের টিনএজার ফুটবলার। তিন ম্যাচ আগে গোল করে বর্ণবৈষম্যের শিকার হয়েছিলেন তিনি। নিজেদের সমর্থকদের কাছেই। সমর্থন পাননি দলের খেলোয়াড়দেরও। সেই কিন তিরিশ মিনিটে গোল করেন। ১৯ বছরের এই ফুটবলার নিজের জাত চেনাতে পেরেছেন। শেষ চার ম্যাচ ধরে।

দল হেরে যাওয়ায় দুর্দান্ত গোল দাম পেল না। রেফারি নয় মিনিট অতিরিক্ত সময় খেলানোর পরেও হার আটকাতে পারেনি জুভেন্টাস।

বিরতির পরেই ম্যাচের ছবিটা বদলে যায়। ৪৯ মিনিটে এসপিএএলের স্ট্রাইকার কেভিন বোনিফোজি গোল করেন। ৭৪ মিনিটে সার্জি ফ্লোকারির গোল জুভেন্টাসের রক্ষণের ভুলে। গোলশোধ করার জন্য জুভ কোচ বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় নামান। তারপর কিছু আক্রমণ তৈরিও হয়েছিল। কিন্তু গোলটাই আসেনি।

প্রতিপক্ষ দল ১৯৫৭ সালের পরে এই প্রথম জুভেন্টাসকে হারাল। ম্যাচের পরে তাদের উৎসব চোখে পড়ার তো ছিল। যা জুভেন্টাসের হওয়ার কথা ছিল।

জুভদের হারের রাতে জয় পেয়েছে এসি মিলান। লাজিওকে ১-০ গোলে হারিয়েছে তারা।

৩২ ম্যাচে জুভেন্টাসের পয়েন্ট ৮৪। এক ম্যাচ কম খেলা নাপোলির পয়েন্ট ৬৪। ৩২ ম্যাচে এসি মিলানের পয়েন্ট ৫৫। তাদের নগরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইন্টার মিলানের পয়েন্ট ৫৭।