চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ
Partex Group

জাওয়াহিরিকে হত্যায় কোন নতুন অস্ত্র ব্যবহার?

Nagod
Bkash July

কাবুলে মার্কিন অভিযানে সুনির্দিষ্টভাবে শুধু জাওয়াহিরিকে হত্যা করা হলেও পরিবারের বাকি সদস্যরা অক্ষত আছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। অভিযানটি ছিলো বিস্ফোরণহীন। আর এতেই নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, সম্পূর্ণ নতুন অস্ত্র ব্যবহার করেই জাওয়াহিরিকে তার আশ্রয়স্থলে হত্যা করে মার্কিন বাহিনী।

সেনা সদস্য নয়, মাটির অনেক উপর থেকেই ড্রোন হামলার মাধ্যমে জাওয়াহিরিকে হত্যা করেছে মার্কিন বাহিনী। ধারণা করা হচ্ছে, জাওয়াহিরিকে হত্যায় যুক্তরাষ্ট্র তাদের গোপন অস্ত্র হেলফায়ার-আর নাইন এক্স ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। হেলফায়ার-আর নাইন এক্স-এ বিস্ফোরকের পরিবর্তে ছয়টি ব্লেড থাকে আর তাই একে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন সোর্ড বোম্বও বলে থাকেন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।

ড্রোন থেকে অস্ত্রটি দিয়ে কোথাও হামলা চালালে শুধু লক্ষ্যবস্তুই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যখন এটিকে ছোঁড়া হয় তখন মূল ক্ষেপণাস্ত্র থেকে ব্লেডগুলো আলাদা হয়ে লক্ষ্যবস্তুতেই আঘাত হানে। আর তাই অক্ষত রয়েছেন তার পরিবারের অন্যরা।

হেলফায়ার-আর নাইন এক্স-এর কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করে এর আগে, সিরিয়া, লিবিয়া, ইয়েমেন এমনকি আফগানিস্তানেও যুক্তরাষ্ট্র এই অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে বলে মনে করেন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। ২০১৭ সালে সিরিয়ায় আল কায়দা নেতা আবু আল খায়ির আল মাসরি গাড়িতে ভ্রমণ করার সময়, হেলফায়ার-আর নাইন এক্স দিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছিলো বলে মনে করা হচ্ছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করেন, হামলায় বেসামরিক নাগরিকদের মৃত্যু কমাতেই যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর নতুন উদ্ভাবন হেলফায়ার-আর নাইন এক্স অস্ত্র।

১১ বছর আগে পাকিস্তানে যখন ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করা হয়, তখন সেই অভিযানে অ্যাবোটাবাদের বাড়িতে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে প্রবেশ করতে হয়েছিলো। সেদিন হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুম থেকে তখনকার প্রেসিডেন্ট ওবামার পাশে বসেই পুরো অভিযান দেখেছিলেন জো বাইডেন। আর এবার জাওয়াহিরিকে হত্যার অভিযানে নেতৃত্ব দিলেন বাইডেন নিজেই।

BSH
Bellow Post-Green View