চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস: সারাবিশ্বে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু চিলিতে 

প্রথমদিকে চিলিতে করোনার সংক্রমণের হার ছিল খুব কম। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে কোভিড-১৯ ভাইরাসে প্রাণহানি ঘটেছে ৬৪৯ জনের। যা রোববার পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী মৃত্যু রেকর্ডে সর্বোচ্চ।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, স্পেন, ইতালি, ফ্রান্স এবং ব্রাজিলকে পেছনে ফেলে করোনায় একদিনের মৃত্যুর হিসেবে ওঠে এসেছে চিলি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, করোনার নতুন হটস্পর্ট হতে যাচ্ছে ব্রাজিলের পর চিলি, মেক্সিকো এবং পেরু।

বিজ্ঞাপন

ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্য অনুয়ায়ী, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ১৩ তম দেশ চিলিতে মৃত্যু হার বেড়ে একদিনে মারা গেছে ৬৪৯ জন। বিশ্বব্যাপী একদিনের হিসেবে সর্বোচ্চ। এর পরের অবস্থান ব্রাজিল। দেশটিতে ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছে ৫৪২জন, গত চারমাস তাণ্ডব চালিয়ে মৃত্যু সংখ্যা কমে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে মারা গেছে ৩৭৩ জন। মেক্সিকোতে ৩৪১, ভারতে ২৬১, পেরুতে ১৬৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।

বিজ্ঞাপন

করোনার নতুন মৃত্যুপুরী ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোর দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, ‘ব্রাজিলে ‘একদিনে আক্রান্ত হয়েছে ১৮ হাজার ৩৭৫ জন, মৃত্যু ৫৪২জন। দেশটিতে মোট আক্রান্ত ও মৃত্যু ৬ লাখ ৯১ হাজার ৯৬২ এবং মৃত্যু ৩৬ হাজার ৪৯৯জন।

বিজ্ঞাপন

চিলিতে একদিনে আক্রান্ত হয়েছে ৬ হাজার ৪০৫জন, মৃত্যু ৬৪৯জন। দেশটিতে মোট আক্রান্ত ও মৃত্যু ১ লাখ ৩৪ হাজার ১৫০ এবং মৃত্যু ২ হাজার ১৯০জন।

মেক্সিকোতে একদিনে আক্রান্ত হয়েছে ৩ হাজার ৫৯৩ জন, মৃত্যু ৩৪১ জন। দেশটিতে মোট আক্রান্ত ও মৃত্যু ১ লাখ ১৩ হাজার ৬১৯ এবং মৃত্যু ১৩ হাজার ৫১১ জন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিশ্বব্যাপী যখন কঠোর লকডাউন এবং কারফিউ চলছিল, তখন ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলো স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চলাচল এবং লকডাউন শিথিল করার কারণে করোনার গতি পরিবর্তন করে এই দেশগুলোতে সংক্রমণ ছড়িয়েছে।

এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৪ লাখ ৬ হাজার ১০৭ জন। এছাড়া এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৭০ লাখ ৮৬ হাজার ০৮ জনের শরীরে। এরই মধ্যে ২১২টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস।

মহামারির চেয়েও ভয়ংকর রূপ নিয়ে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহানে প্রথম শনাক্ত হয়।