আন্তর্জাতিক

মতপার্থক্য থাকলেও মার্কিন শান্তি প্রস্তাব বিবেচনা করছে ইরান

নৌবাহিনী ও জলযান সমুদ্রের মধ্যে অবস্থান করছে. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

ছবি: সংগৃহীত

অডিও সংবাদএই খবরটি পডকাস্টে শুনুন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ভেঙে পড়ার শঙ্কার মধ্যেই ওয়াশিংটনের অতিরিক্ত দাবির অভিযোগ তুলেছে ইরান। একই সময়ে খবর বেরিয়েছে, আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানের ওপর হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। তবে গভীর ও গুরুত্বপূর্ণ মতপার্থক্য থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া শান্তি প্রস্তাব বিবেচনা করছে ইরান।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

শুক্রবার (২২ মে) পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসীম মুনির তেহরানে পৌঁছে রাতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে বৈঠক করেন। আরাঘচির টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া এক পোস্টে জানানো হয়, দুই নেতা চলমান উত্তেজনা বৃদ্ধি ঠেকাতে সর্বশেষ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও উদ্যোগ নিয়ে মতবিনিময় করেছেন।

এদিকে শুক্রবার ট্রাম্প জানান, সরকার-সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতির কারণে তিনি ছেলের বিয়েতে অংশ নেবেন না এবং ওয়াশিংটনেই অবস্থান করবেন। এতে পরিস্থিতি সংবেদনশীল পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জল্পনা শুরু হয়। ট্রাম্প এ সপ্তাহের আলোচনাকে নতুন করে হামলা ও যুদ্ধ অবসানের চুক্তির মধ্যবর্তী সংকটসীমায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেন।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সতর্ক করে বলেন, আসিম মুনিরের সফর মানেই আলোচনায় কোনো মোড় পরিবর্তন বা চূড়ান্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছেএমনটি নয়। ইরানি সংবাদমাধ্যমের বরাতে তিনি জানান, পক্ষগুলোর মধ্যে এখনো গভীর ও গুরুত্বপূর্ণ’ মতপার্থক্য রয়ে গেছে।

মধ্যস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার চার দিনের সফরে ইরানের প্রধান বাণিজ্য অংশীদার চীন সফরে গেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, চলমান সংকট নিরসনের প্রচেষ্টা সেখানে আলোচনায় গুরুত্ব পাবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া আঞ্চলিক সংঘাত বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় জ্বালানি সরবরাহে সংকট আরও তীব্র হয়েছে।

৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির পর কয়েক দফা আলোচনা যার মধ্যে ইসলামাবাদে মুখোমুখি ঐতিহাসিক বৈঠকও ছিল এখন পর্যন্ত স্থায়ী সমাধান বা হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দিতে পারেনি। ফলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ সংকট আরও গভীর হচ্ছে।

বিষয়:ইরান ইরান যুদ্ধ ২০২৬ পাকিস্তান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…