চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

করোনাভাইরাস: রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির ৮ দফা দাবি

করোনাকালীন বিপর্যয় এড়াতে ৮ দফা জানিয়েছেন বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি। এ সেক্টরের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ৩০ লক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল ২ কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা নিশ্চিতে সরকারের কাছে আহ্বান জানানো হয়েছে সংগঠনটির পক্ষ থেকে।

শনিবার এ সংক্রান্ত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

তাদের ৮ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে:

১. স্বাস্থ্যবিধি মেনে, হোটেল রেস্তোরাঁ, তার স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী খোলা রাখতে চাই।তাও যদি সম্ভব না হয় সেক্ষেত্রে ৫০% আসনে বসিয়ে হোটেল-রেস্তোরাঁ চালু করতে চাই।

২. হোটেল রেস্তোরাঁ খাতে কর্মরত শ্রমিকদের প্রণোদনা দিতে হবে। এক্ষেত্রে শ্রমিকদেরকে মোবাইলের মাধ্যমে নগদ অর্থ অথবা নির্দিষ্ট র্কাড প্রদানের মাধ্যমে মাসিকভাবে খাদ্য সাহায্য প্রদান করা যেতে পারে।এখানে উল্লেখ্য যে, গত করোনাকালীন সময় এবং বর্তমান করোনাকালীন সময়ে হোটেল-রেস্তোরাঁ শ্রমিকদেও সরকারের পক্ষ থেকে কোন প্রকার প্রণোদনা প্রদান করা হয় নাই।

৩. হোটেল রেস্তোরাঁ ব্যবসাকে চলমান রাখার জন্য রানিং ক্যাপিটাল হিসেবে এস এম ই খাত থেকে বিনা সুদে অথবা স্বল্প সুদে জামানত বিহীন এবং দীর্ঘ-মেয়াদী ঋণ প্রদান করা।

বিজ্ঞাপন

৪. করোনাকালীন সময়ে, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির বিলসার্চ চার্জ ছাড়াই প্রদান করতে সময় দেয়া।

৫. যেহেতু ঢাকা শহরসহ বিভাগীয় শহর, জেলা ও উপজেলা শহরে শতকরা ৯৮% ভাড়াটিয়া হিসেবে হোটেল রেস্তোরাঁ ব্যবসা পরিচালনা করে থাকেন, সেহেতু ভাড়া আদায়ের ক্ষেত্রে
স্থাপনার মালিক/বাড়িওয়ালাদের সহনীয় আচরণ/দেরিতে ভাড়া গ্রহণ/ভাড়া মওকুফ করারবিষয়ে-সরকারি নির্দেশনাও সহযোগিতা চাই ।

৬.যেহেতু রেস্তোরাঁ খাতটি একটি সেবা খাত সেহেতু হোটেল-রেস্তোরাঁ মালিক ও শ্রমিকদের করোনা যোদ্ধা ও ফ্রন্ট লাইনার হিসেবে ঘোষণা করা এবং কর্মরত মালিক-শ্রমিকদেরকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনার টিকাপ্রদান করার নির্দেশনা দিতে হবে।

৭. চলমান করোনাভাইরাসের মহাদুর্যোগের মধ্যেও ভ্যাট-ট্যাক্স আদায়ের নিমিত্তে হোটেল রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের উপর চরম অসহনীয় আচরণ করা হচ্ছে, যাহা কোন ক্রমেই গ্রহনযোগ্য নয়।

৮. বর্তমানে চালুকৃত টেকওয়ে, পার্সেল ও অনলাইন ডেলিভারি প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা হোটেল-
রেস্তারাঁ অনুপাতে মাত্র ২% -৩%।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আমরা মনে করি বর্তমানে শুধু অনলাইন ডেলিভারির সুযোগ দিয়ে রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখার ঘোষণাটি দূরভিসন্ধিমূলক। এখানে দেশী-বিদেশী স্বার্থন্বেষী মহলের হাত রয়েছে।