চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশেও লাগাম

করোনার কারণে এবার আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর লভ্যাংশ ঘোষণায় লাগাম টানলো বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে কোনো প্রতিষ্ঠান শেয়ারধারীদেরকে ১৫ শতাংশের বেশি নগদ অর্থাৎ শেয়ার প্রতি দেড় টাকার বেশি মুনাফা দিতে পারবে না।

বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

বিজ্ঞাপন

এর আগে ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষণার ক্ষেত্রেও সীমা বেঁধে দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কোনো প্রতিষ্ঠান যত ভালো মুনাফাই করুক না কেন লভ্যাংশ নির্ধারিত সীমার বেশি হবে না। যাদের খেলাপি ঋণ ১০ শতাংশের বেশি তারা নগদে কোনো লভ্যাংশই বিতরণ করতে পারবে না। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার দিতে পারবে।

ব্যয় সাশ্রয় ও হাতে নগদ তারল্য নিশ্চিত করতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বৈশ্বিক মহামারির প্রভাব থেকে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ব্যয় সাশ্রয়ী পরিচালন প্রক্রিয়া অনুসরণের পাশাপাশি মূলধন সাশ্রয়ী ও তারল্য সহায়ক লভ্যাংশ বণ্টন নীতিমালা জরুরি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যে সব আথিক প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকৃত বা খেলাপি ঋণের হার ১০ শতাংশের বেশি রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়া কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করবে না।

যেসব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে মূলধন পর্যাপ্ততা্র হার ১০ শতাংশের কম এবং খেলাপি ঋণের হার ১০ শতাংশের বেশি, সেসব প্রতিষ্ঠান কোনো লভ্যাংশ দিতে পারবে না।

যে সব আথিক প্রতিষ্ঠান সংরক্ষিতব্য সংস্থান (প্রভিশন সংরক্ষণ) না রেখে বাংলাদেশ ব্যাংক হতে ঘাটতি সমন্বয় করে ডেফারেল সুবিধা (প্রভিশন সংরক্ষণে অতিরিক্ত সময় না নেয়া) ভোগ করছে, সে সব আর্থিক প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ সংস্থান সংরক্ষণের আগে কোনো প্রকার নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে না। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিয়ে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ হিসেবে দিতে পারবে।

এর আগে ব্যাংকের লভ্যাংশের সীমা বেঁধে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। সেখানে ৫ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ পর্যন্ত লভ্যাংশ ঘোষণার কথা বলা হয়েছে। তবে ব্যাংকও ১৫ শতাংশের বেশি অর্থাৎ শেয়ার প্রতি দেড় টাকার বেশি নগদে লভ্যাংশ হিসেবে দিতে পারবে না।