চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

আইয়ুব বাচ্চুকে হারানোর এক বছর

আইয়ুব বাচ্চু। বাংলা ব্যান্ড সংগীতের এক কিংবদন্তি পুরুষ। যাদের হাত ধরে দেশীয় ব্যান্ড সংগীত দাঁড়িয়েছে, তাদের একজন ছিলেন তিনি। আশির দশক থেকে গানে, সুরে ও কথায় তিনি মন জয় করেছেন বাঙালি হৃদয়।

ফেরারি মন, চলো বদলে যাই, এখন অনেক রাত, হকার, আমি বারো মাস তোমায় ভালোবাসি, কষ্ট পেতে ভালোবাসি এবং রূপালী গিটারসহ অসংখ্য জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা আইয়ুব বাচ্চু। তারকা খ্যাতির তুঙ্গে অবস্থান করলেও ছিলেন সাধারণ মানুষের ধরাছোঁয়ার মধ্যে। তারকা নয়, ‘ভালো মানুষ’ হয়েই বাঁচতে চেয়েছেন জীবনভর। তার চাওয়ায় যেন পূর্ণতা পেল।

বিজ্ঞাপন

ভালো মানুষ হয়েই আচমকা সবার কাছ থেকে বিদায় নিলেন উপ মহাদেশের প্রখ্যাত গিটারিস্ট। তার হঠাৎ মৃত্যুতে শুধু সুরের জগত নয়, কেঁদে উঠেছে আপামর জনতা। যেন তিনি মিউজিশিয়ান নয়, ছিলেন একজন ম্যাজিশিয়ান।

২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর তাঁর আচমকা মৃত্যু কাঁদিয়েছে আপামর বাঙালিকে। তার শোক যেনো এখনো ভুলতে পারছেন না ভক্ত শ্রোতারা। গত এক বছর ধরে তিনি স্বশরীরে না থাকলেও শিল্পীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী উচ্চারিত নাম ‘আইয়ুব বাচ্চু’।

আর এটিই সম্ভবত ‘ভালোবাসার জোর’! একজন শিল্পীর জন্য এমন নির্মোহ ভালোবাসা এরআগে খুব একটা দেখেনি এই দেশ!

প্রথম মৃত্যু বার্ষিকীতে তাঁকে স্মরণ করে থাকছে দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের। বিষেশ করে তাঁকে নিয়ে তাঁর জন্মস্থান চট্টগ্রামে থাকছে বেশকিছু অনুষ্ঠান। পরিবারের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম ও ঢাকায় রয়েছে কোরান খতম ও মিলাদ মাহফিল।

চ্যানেল আইয়ের পরিবারের একজন ছিলেন আইয়ুব বাচ্চু। তাঁর স্মরণে দিনব্যাপী এই টেলিভিশনে থাকছে একাধিক অনুষ্ঠান।

১৬ আগস্ট ১৯৬২ সালে চট্টগ্রামে জন্ম নেন আইয়ুব বাচ্চু। তার বাবা ইশহাক চোধুরী এবং মা নুরজাহান বেগম। তাদের পরিবার ছিল একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবার। পরিবারের নিষেধ সত্ত্বেও গানের প্রতি ভালোবাসা থেকে দেশ জয় করেছেন। রক ব্যান্ড ‘এল আর বি’র গায়ক ও গিটারবাদক হিসেবে পুরো বিশ্বে জনপ্রিয়তা লাভ করেছিলেন।

ছবি: তানভীর আশিক

Bellow Post-Green View