বাংলাদেশ সফরে প্রথম পরীক্ষায় সুবিধা করতে পারেনি আয়ারল্যান্ড ‘এ’ দল। চারদিনের ম্যাচে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের বোলিং নৈপুণ্যে ২৫৫ রানে থেমেছে আইরিশদের প্রথম ইনিংস। জবাবে প্রথম দিন শেষে স্বাগতিক দলের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৩৮ রান।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে সাদমান ইসলাম ২২ ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১৫ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন। দলীয় ১ রানের মাথায় সাজঘরে ফিরে যান জাকির হাসান (১)। শুরুতে উইকেট হারালেও সাদমান-শান্তর দৃঢ়তায় ১১ ওভার খেলে আর উইকেট হারায়নি বাংলাদেশ ‘এ’ দল।
টস জিতে ব্যাটিয়ে নেমে বাংলাদেশের পেস-স্পিনের বৈচিত্র্যপূর্ণ আক্রমণের সামনে দারুণ ব্যাটিং করেছেন সিমি সিং। ৩০ বছর বয়সী এই মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যানের ১২১ রানের ইনিংসে ভর করে দুইশ পেরোয় আয়ারল্যান্ড ‘এ’ দল।
২৯ রানে তিন উইকেট হারিয়ে বসলে ক্রিজে আসেন সিমি। নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে যখন আউট হন দলে রান তখন ২১৭। ১৩৮ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করা এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান শেষ পর্যন্ত থামেন ১৫৯ বল খেলে মেহেদীর শিকার হয়ে। ১০ চার ও ৪ ছক্কায় সাজান ইনিংসটি। যেকোনো ধরনের ক্রিকেটে এটিই সিমির প্রথম সেঞ্চুরি।
আইরিশদের হয়ে শেষের লড়াইটা করেন অ্যান্ডি ম্যাকব্রিন। তার ৫৭ রানের ইনিংসে আড়াইশ পেরোয় আইরিশরা।
বাংলাদেশ ‘এ’ দলের বোলারদের মধ্যে সফল মেহেদী হাসান। এই অফস্পিনার নিয়েছেন ৩ উইকেট। সাইফ হাসান ইনজুরিতে পড়লে বদলি হিসেবে স্কোয়াডে আসেন মেহেদী। টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে এলেও বল হাতেও সাফল্য পাচ্ছেন ২২ বছর বয়সী এই তরুণ।

কামরুল ইসলাম রাব্বি, ইবাদত হোসেন, জুবায়ের হোসেন লিখন নেন দুটি করে উইকেট। একটি উইকেট নিয়েছেন সাঞ্জামুল ইসলাম।
আয়ারল্যান্ড ‘এ’ দলের ১১ ক্রিকেটারের মধ্যে ৯ জনেরই আন্তর্জাতিক ওয়ানডে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। নামে ‘এ’ দল হলেও জাতীয় দলের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার রয়েছেন তাদের দলে। বাংলাদেশ ‘এ’ দলেও আছেন জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া কয়েকজন ক্রিকেটার।








