উনসত্তর পেরিয়ে সত্তরে আজ পা রাখলেন বরেণ্য অভিনেতা এবং সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। ১৯৪৬ সালের ৩১ অক্টোবর নীলফামারী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি।
তবে বিশেষ দিনটিতে বিশেষ কোনো আয়োজন থাকছে না বলেই জানিয়েছেন আসাদুজ্জামান নূর। তার নাট্যদল ‘নাগরিক’ থেকেও বিশেষ আয়োজন থাকছে না। তাই বছরের অন্য দিনগুলোর মতোই কাজের মধ্য দিয়ে সাধারণ একটি দিন কাটাবেন তিনি।
মন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও ‘কোথাও কেউ নেই’ নাটকের ‘বাকের ভাই’ হিসেবেই আসাদুজ্জামান নূরকে আমরা বেশি চিনি। বহু গুণে গুণান্বিত এই ব্যক্তির অভিনয় জীবন শুরু হয় মঞ্চনাটকে। দেশের অন্যতম নাট্য সংগঠন নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের সঙ্গে তিনি স্বাধীনতার থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত যুক্ত আছেন। মঞ্চে ‘নূরুল দীনের সারাজীবন’ নাটকে তার অভিনয় এখনো দাগ কেটে আছে অনেকের হৃদয়ে।
ঈর্ষণীয় কণ্ঠ-মাধুর্যের অধিকারী আবৃত্তিকার হিসেবে আমাদের দেশে বিশেষভাবে পরিচিত। বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সভাপতি হিসেবে তিনি অনেক বছর ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
আসাদুজ্জামান নূর অভিনীত প্রথম টিভি নাটক ‘রঙ্গের ফানুস’। প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে ‘শঙ্খনীল কারাগার’-এ অভিনয় করেন তিনি। এরপর ‘আগুনের পরশমণি’, ‘চন্দ্রকথা’ ও ‘দারুচিনি দ্বীপ’ সিনেমায় অভিনয় করেন।
মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান নূর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে একজন।
আসাদুজ্জামান নূর জানান, ছোটবেলায়ও তার জন্মদিন বিশেষভাবে উদযাপন করা হতো না। বাড়িতে হয়তো মা একটু বেশি রান্না করতেন।’
তবে জন্মদিনে নাতনি মধুরিমাকে খুব মিস করবেন বলে জানান তিনি। আবু নাজেম মোহাম্মদ আলী ও আমিনা বেগম দম্পতির বড় ছেলে আসাদুজ্জামান মোহাম্মদ আলী অভিনয় করতে এসে হয়ে যান আসাদুজ্জামান নূর। ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতি, এরপর মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া, তারপর চাকরি আর সেখান থেকে অভিনয় শুরু করেন তিনি।
আসাদুজ্জামান নূরের স্ত্রী ডা. শাহীন আক্তার। তার এক ছেলে সুদীপ্ত ও এক মেয়ে সুপ্রভা।
তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনের চুম্বকাংশ নিয়ে রোকসানা আমিন এর রিপোর্ট:
https://www.youtube.com/watch?v=nclkCbJOJS8







