ষষ্ঠ ও শেষ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও অর্ধেকর বেশি আসনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। ৬শ’ ৯৮টি ইউনিয়নের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ জয় পেয়েছে ৪শ’ ১২টিতে। বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা ৫৯টি এবং অন্যান্য প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন ২শ’ ২টি ইউনিয়নে। তবে এ দফায়ও নির্বাচনী সহিংসতায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪ জন।
দলীয় প্রতীকে প্রথম ইউপি নির্বাচনের শেষ ধাপেও ছিলো আওয়ামী লীগেরই প্রাধান্য। তবে সহিংসতার আঁচ লেগেছে এদফাতেও। ফেনী, ময়মনসিংহ ও নোয়াখালী সদরে পৃথক ঘটনায় নিহত হয়েছে তিন জন। এছাড়া গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছে ১১ জন।
এবারের নির্বাচনেও দেশজুড়ে ছিলো আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের জয়জয়কার। ঢাকা বিভাগের প্রায় ২শ’ ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন ১শ’ ১৬টি ইউনিয়নে। ১৮টি ইউনিয়নে বিএনপি মনোনিত প্রার্থী ও ৫৮টি ইউনিয়নে জয় পেয়েছে অন্যান্য প্রার্থীরা।
চট্টগ্রাম বিভাগের দুইশ’র বেশী ইউনিয়নের শতকরা ৬০ ভাগেরও বেশী ইউনিয়নে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। ৮টি ইউনিয়নে বিএনপি এবং ৫৩টিতে অন্যান্য প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন।
রংপুর বিভাগের ৫৩টি ও রাজশাহী বিভাগের ১শ ১০টি ইউনিয়নের বেশীরভাগ ইউপিতেই বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা। দুই বিভাগ মিলিয়ে ১৭টি ইউনিয়নে জয় পেয়েছে বিএনপি।
খুলনা বিভাগে আওয়ামী লীগ জয় পেয়েছে ২৭ টি ইউনিয়নে। বিপরীতে বিএনপির জয় পেয়েছে ২টি ইউনিয়নে। অন্যান্য প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন ১৪টি ইউনিয়নে।
সিলেট বিভাগের ৮৫টি ইউনিয়নের ৪৮টিতেই জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থীরা। বাকি ইউনিয়নগুলোতে জয় পেয়েছে বিএনপি ও অন্যান্য প্রার্থীরা।








