তুরস্কে সেনা বিদ্রোহের প্রচেষ্টাকে বেশ শক্ত হাতেই দমন করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান। আর এই সেনা বিদ্রোহের প্রচেষ্টার পরেই বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি। সেনাবাহিনীর নানান রদবদল থেকে শুরু করে শিক্ষকদের পদেও বেশ পরিবর্তন করেছেন তিনি। এর মধ্যে কিছু শিক্ষককে চাকরিচ্যুত এবং কিছু শিক্ষককে বরখাস্ত করেছেন।
শিক্ষকদের উপর এমন আচরণ নিয়েই এবার ফেসবুকে পোষ্ট দিলেন ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মনজুরে খোদা টরিক।
নিজের ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, শিক্ষার উপর তুরস্কের রাষ্ট্রপতি এরদোগানের এতো আক্রোশ কেন..?
১৬ হাজার শিক্ষক-কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত, ২১ হাজার শিক্ষককে বরখাস্ত করেছেন! বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ হাজার ৫শ ডিনকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন! ১০ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছেন? এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের বিদেশ সফর নিষিদ্ধ করেছেন!

এরপর এর কারণ হিসেবে প্রবাসী এই সাবেক নেতা লিখেন, তার প্রধান কারণ, ২০০২ সালে তুরস্কের ক্ষমতাসীন দল একেপি ক্ষমতায় আসার পর ৬ জন শিক্ষামন্ত্রী এসেছেন এবং এরা সবাই সেখানকার ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষার ধারা-ব্যবস্থাকে বাতিল করে ইসলামিকরণ করেছেন এবং করছেন। সর্বশেষ ২০১৫ সালে শিক্ষার ইসলামিকরণ-সাম্প্রদায়িকরণ প্রতিবাদে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। এই সংগ্রামে শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মচারী সবসময় প্রতিবাদী ছিলেন এবং বাধার কারণ ছিলেন। আন্দোলনে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। নানা সূত্রে আলোচিত-সমর্থিত পাতানো সামরিক ক্যুর ব্যর্থতার এই সুযোগকে এরদোগান কাজে লাগাচ্ছেন তার এজেন্ডা ও দূরভিসন্ধির ১৬ আনা বাস্তবায়ন করতে, পথের কাঁটা দূর করতে!









