নতুন করে আরো ৯টি পণ্য রপ্তানিতে ১০ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
বুধবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ সংক্রান্ত সভায় তিনি সিদ্ধান্তের কথা জানান।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য সচিব শুভাশিষ বসু, এফবিসিসিআইর সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বিজিএমইএর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার বর্তমানে ২৭টি পণ্য রপ্তানিতে বিভিন্ন হারে নগদ আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে। এবার এগুলোর সাথে আরো ৯টি পণ্য যুক্ত করা হবে।
পণ্যগুলো হলো- হিমায়িত সফটসেল কাঁকড়া, ফার্মাসিউটিক্যালস পণ্য ও ওষুধের কাঁচামাল, সিরামিক দ্রব্য, গালভানাইজড সিট বা কয়েলস, ফটোভলটাইক মডুল, রেজার ও রেজার ব্রেডস, ক্লোরিন, হাইড্রোক্লোরিক এসিড, কস্টিক সোডা এবং হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড।
তিনি বলেন, নগদ সহায়তা দেয়ায় আগামীতে দেশের রপ্তানিকারকরা পণ্য রপ্তানিতে আরো বেশি উৎসাহিত হবেন। এ ধারা অব্যাহত থাকলে ২০২১ সালে দেশের মোট রপ্তানি ৬০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।
তৈরি পোশাক খাতের বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তৈরি পোশাক নতুন বাজারে রপ্তানিতে আগে ৩ শতাংশ হারে নগদ আর্থিক সহায়তা দেয়া হতো, এখন আরো একভাগ বাড়িয়ে ৪ শতাংশ হারে নগদ আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে। আশা করা হচ্ছে, আগামীতে পোশাক রপ্তানিতে ১০ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি হবে।
সভায় ব্যবসায়ী নেতারা রপ্তানি বাড়াতে অবকাঠামোর উন্নয়ন, ব্যবসায়িক জটিলতা নিরসন ও সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং স্থল ও সমুদ্র বন্দরের কার্যক্রম আরো গতিশীল করার দাবি জানিয়েছেন।
ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও সহজ করতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক রপ্তানি বাণিজ্য প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বাংলাদেশ আগের যে কোন সময়ের তুলনায় অনেক বেশি দক্ষতা অর্জন করেছে।







