কয়েক দিনের অব্যাহত ভারী বর্ষণে উখিয়া ও টেকনাফে আশ্রয়রত সাড়ে ২১ হাজার রোহিঙ্গা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাতাসে তাবু উঠে যাওয়া, অতি বৃষ্টিতে শিবির তলিয়ে যাওয়া, বজ্রপাতে আঘাত প্রাপ্ত হওয়াসহ নানা ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত তারা।
শনিবার থেকে এ পর্যন্ত এরকম ৮৮ টি ঘটনায় সাড়ে ২১ হাজার রোহিঙ্গা ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। বৃষ্টি না থামলে এ সংখ্যা আরো বাড়বে।
সূত্র জানায়, অতি বর্ষণ, পাহাড়ী ঢল ও ভুমি ধসে মঙ্গলবার ৯৯ জন রোহিঙ্গা ছোট বড় আঘাত প্রাপ্ত হয়েছে। একইসময়ে ১৩০ টি শেল্টার হোম ধ্বংস হয়েছে।
এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম’র সাইট পরিচালনা প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম বলেন: তীব্র বাতাস ও অতি বর্ষণে ক্যাম্পের রাস্তাগুলো সংকীর্ণ হয়ে গেছে। চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বৃষ্টি না থামলে ক্ষতি পরিমাপ করা সম্ভব হবে না।
তিনি আরো বলেন: মঙ্গলবারে বর্ষণে উখিয়ার ৬ টি ক্যাম্পের ৯৯ জন আহত ও ১৩০ টি শেল্টার হোম ধ্বংস হয়েছে। শনিবার থেকে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৩৫০টি আশ্রয়কেন্দ্র বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
‘ক্ষতিগ্রস্ত পরিকাঠামো মেরামতের কাজ চলছে। এর মধ্যে রয়েছে ড্রেনেজ কালভার্টস নিষ্ক্রিয়করণ, আরও তুষারপাত বন্ধ করার জন্য পজিশনিং স্যান্ডব্যাগ, অ্যাক্সেস সড়ক থেকে ভূমিধস অপসারণ করা, নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল, বৃষ্টির পানি বণ্টন ।
এদিকে উখিয়া ও টেকনাফ উপ-জেলায় গত দুই দিনে ঝড়ের কারণে ৮৫টি টয়লেট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৪ দিনে মোট ১৮৯ টি টয়লেট ও ১১ টি পানির পয়েন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
শরণার্থী ত্রান ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালাম বলেন: ১২ লাখ রোহিঙ্গা কক্সবাজারে আশ্রয়রত। তাদের জন্য ৭ হাজার একরেরও বেশী পাহাড় ধ্বংস হয়েছে। যে হারে বর্ষণ হচ্ছে সেভাবে কিন্তু রোহিঙ্গাদের ক্ষতি হয়নি। পূর্ব প্রস্তুতি থাকায় আমরা রোহিঙ্গা জানমালের নিশ্চয়তা দিতে পেরেছি।









