দ্বিতীয় পর্বের বিশ্ব ইজতেমা শুরু হচ্ছে আগামীকাল শুক্রবার। এবার ইজতেমায় আসবেন প্রথম পর্বে অংশ গ্রহণ না করা বাকী জেলার মুসল্লিরা। এর মধ্যে আসতেও শুরু করেছেন ইজতেমা মাঠে। ২য় পর্বেও থাকবে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
১৬ জেলার মুসল্লিদের পর আরো ১৬ জেলার মুসল্লিদের জন্য মুসলমানদের ২য় বৃহত্তম ধর্মীয় জমায়েত বিশ্ব ইজতেমা শুরু হচ্ছে আগামী শুক্রবার থেকে। সারা বাংলাদেশকে চার ভাগে ভাগ করে ১৬ জেলার মুসল্লিদের নিয়ে ৮ জানুয়ারি শুরু হয়েছিলো বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। এ বছর মোট দুই পর্বে যেসব জেলার মুসল্লি ইজতেমায় অংশ নেবেন তাদের বাদ দিয়ে বাকি ৩২ জেলার মুসল্লিদের জন্য আগামী বছর হবে ২ পর্বের বিশ্ব ইজতেমা।
এবছরের দ্বিতীয় পর্বের বিশ্ব ইজতেমায় শরীক হতে টংগীর তুরাগ তীরে লাখো মুসল্লি জমায়েত হয়েছেন। আল্লাহকে খুশি করতে এখানে এসেছেন তারা, ইজতেমায় অংশ নিতে খুব ভালো লাগে বলেও জানান।
বাড়তি সওয়াবের আশায় ইজতেমা মাঠেই রয়ে গেছেন আগের পর্বের বিদেশী মুসল্লিও। আবার নতুন করে আসছেন অনেকে। বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মুসল্লিরা বলেন, ইজতেমার অংশ হতে পেরে খুব ভালো লাগছে তাদের।
তবে ইজতেমায় শরীক হওয়া মুসল্লিদের পড়তে হচ্ছে নানা ভোগান্তিতে। মাঠের চারপাশের টঙ্গী পৌর এলাকার সব রাস্তাই ইজতেমার সময় ধুলোয় একাকার। হকার আর ভিক্ষুকের দাপটে পথ চলাই দায় মুসল্লিদের।
এ পর্বেও মোতায়েন থাকবে কয়েক হাজার নিরাপত্তা কর্মী।
প্রথম পর্বের মতোই কোনো ঝামেলা ছাড়া আগত মুসল্লিদের সেবা দেয়ার মানসিকতা নিয়ে দ্বিতীয় পর্ব শেষ করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন গাজীপুর থানার এসপি মো. হারুন অর রশীদ।
মুসল্লিদের চিকিৎসা দিতে আশপাশে স্থাপন করা হয়েছে বেশ কয়েকটি মেডিকেল ক্যাম্প। এ পর্বের জন্যও বিশেষ ট্রেন দিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। বিআরটিসি চালু রেখেছে অতিরিক্ত বাস সার্ভিস। দ্বিতীয় পর্বের বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাত রোববার। এবারও টঙ্গীর তুরাগ তীর থেকে আখেরি মোনাজাত সরাসরি সম্প্রচার করবে চ্যানেল আই।






