চ্যানেল আই অনলাইন
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • স্বাস্থ্য
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

বাঙালির লেখালেখিতেও রাজনীতি!

মাহবুব রেজামাহবুব রেজা
৭:৪১ অপরাহ্ন ১৭, জুলাই ২০১৬
মতামত
A A

পাকিস্তান জন্ম নেওয়ার ১৭ বছরের মাথায় জ্ঞানতাপস ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ তার উপলব্ধি থেকে লিখেছিলেন, ‘স্বাধীনতার ফলে আমরা কী পেলাম? আমরা যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য মিত্রশক্তির নিকট কৃতজ্ঞতা স্বীকার করি যে তাদের আর্থিক ও অন্য সাহায্যে আমরা কিছুটা অগ্রসর হয়েছি। আমরা যে পূর্ণ সাফল্য লাভ করতে পারিনি, তার একটি বড় কারণ ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবরের সামরিক শাসন প্রবর্তনের পূর্বে যারা শাসনকার্যে নিযুক্ত ছিলেন, তারা ছিলেন ইংরেজের গোলাম। স্বাধীনতার পরেও তারা সেই গোলামীর মনোবৃত্তি ষোলআনা ছাড়তে পারেননি। তারপর যারা ছিলেন জাতির মনোনীত রাষ্ট্রীয় কিংবা প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য, তাদের সম্মানীত কয়েকজনকে বাদ দিয়ে বলতে হয় অধিকাংশের মূল মন্ত্র ছিল NEPOTISM এবং POCKETSIM, বাংলায় বলতে গেলে ‘আত্মীয় প্রতিপালন এবং পকেট পরিপূরণ।’

ভাষা বিজ্ঞানী মুহম্মদ শহীদুল্লাহর উদ্ধৃতি দেখে পাঠকদের মধ্যে কেউ কেউ চোখ কপালে তুলে প্রশ্ন করতে পারেন, লেখাটা হয়তো ‘রাজনীতি-ফাজনীতি’ নিয়ে কিছু একটা। কিন্তু পাঠক আপনাকে দ্বিধাহীনচিত্তে আশ্বস্ত করতে চাই যে, লেখাটা মোটেও আপনি যে পদের বলে সন্দেহ পোষণ করছেন সে রকম নয়। দেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের বিষয়াদির উল্লেখ এখানে নেই। তবে রাজনীতির একটা সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম ব্যাপার আছে? হ্যাঁ, লেখাটির ভেতর এক ধরনের রাজনীতির ‘গন্ধ’ আছে। রাজনীতির স্বার্থ, পক্ষ-বিপক্ষ তো আছেই।

একসময় রাজনীতি ছিল মাঠের। কালক্রমে রাজনীতি মাঠের গণ্ডি ছেড়ে ঢুকে পড়েছে যত্র-তত্র। রাজনীতির এই বিস্তৃতি দশ-দিগন্তে পল্লবিত হয়েছে। বাঙালি রাজনীতি-অন্তপ্রাণ। চালাক হলেও বাঙালি রাজনীতিতে সক্রিয় আবার বোকা বলে যে সে তা থেকে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়বে তারও জো নেই। যে কোনোভাবেই হোক, বুঝে হোক বা না বুঝে হোক বাঙালি তার সর্বস্ব রাজনীতিতে সমর্পিত করবে। পরিপার্শ্ব কিংবা পারিবারিক আবহের কারণে খুব ছোটবেলা থেকে রাজনীতির ফারাক আত্মস্থ করতে শেখে বাঙালি। এর ব্যতিক্রম কেউ আছে বা থাকতে পারে বলে মনে করি না। রসিকজন তাই বাঙালিকে নিয়ে রসোক্তি করতে ছাড়েন না, বাঙালির অস্থিমজ্জায় রাজনীতি। শিরায় শিরায় রাজনীতি। দমে দমে রাজনীতি কিংবা জিকির-আসকারে রাজনীতি। বাঙালি রাজনীতির মধ্যেও রাজনীতি দেখে এবং তা নিয়ে দিব্যি রাজনীতিও করে। বিশ্বের আর কোথাও এমন দৃশ্য আশা করি নাই।

তাই বলে বাঙালির লেখালেখিতে রাজনীতি!

সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে যে চেতনা ও আদর্শকে সামনে রেখে সৃষ্টিশীল মানুষরা আত্মত্যাগের দীর্ঘ মিছিলে শরীক হয়েছিলেন তা কী এই দীর্ঘকাল পরে এসেও সমুন্নত থেকেছে? সমাজ, রাষ্ট্রকে অগ্রবর্তী কিংবা বদলে দেবার প্রত্যয়ে তারা স্বেচ্ছায় অলাভজনক পেশায় এই সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে নিজেদেরকে গভীরভাবে সম্পৃক্ত করেছিলেন। এর ফলে তারা কী লাভবান কিংবা সফল হতে পেরেছিলেন? ‘সাহিত্যের সঙ্কট’ প্রবন্ধে আবুল ফজল সে কথারই চুলচেরা উল্লেখ করেছেন। আইয়ুব আমলে লিখিত সেই প্রবন্ধে তিনি লিখেছেন, ‘এ যুগের সাহিত্যিক শিল্পীরা কালের ও রাষ্ট্রের যূপকাষ্ঠের এক রকম বলি বললেই চলে। শহীদ তারা নয়। শহীদ কথাটা আরো অর্থপূর্ণ, সঙ্গে স্বার্থকতার রয়েছে সংযোগ-আদর্শনিষ্ঠা ও স্বেচ্ছায় প্রণোদিত আত্মদানের গৌরব। সাহিত্যিক-শিল্পীরা আজ তা নয়, তারা আজ হাড়িকাঠের বলি। স্বাধীনতার পর দেশের যা অবস্থা হয়েছে, সেই অবস্থার যূপকাষ্ঠে সাহিত্যিক-শিল্পীরাই হচ্ছে নির্ভেজাল বলি।’ উল্লেখ করা বাঞ্ছনীয় হবে যে, এই প্রবন্ধ প্রকাশের দায়ে তৎকালীন সামরিক সরকার ‘সমকালের’ ওই সংখ্যাকে বাজেয়াপ্ত করেছিল।

Reneta

এতবছর পর এসেও আবুল ফজলের ‘নির্ভেজাল বলি’ সাহিত্যিক-শিল্পীদের সেই অবস্থার কী কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন হয়েছে? এক কথায় এ প্রশ্নের সরল জবাব দেয়া কঠিন। শুধু কী কঠিন? খু-উ-ব কঠিন। শুধু কঠিন বলে ছেড়ে দিলে ঘোরতর অন্যায় হবে। বরং বলাই শ্রেয় যে, পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে বেশ।

॥ দুই ॥
লেখালেখি নিয়ে আমাদের লেখক মহলে একটা অলিখিত হিসাব-নিকাশ আছে। থাকে ধ্যান-ধারণা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে রীতি-নীতিরও প্রচলন আছে। তবে যত হিসাব-নিকাশ, ধ্যান-ধারণা, রীতিনীতি থাক না কেন তা কিন্তু জাপানি ঔপন্যাসিক হারুকি মুরাকামির কথাকেই মনে করিয়ে দেয়। এই লেখকের সাড়া জাগানো আত্মজৈবিক ‘হোয়াট আই টক অ্যাবাউট’ ‘হোয়েন আই টক অ্যাবাউট রানিং’। লেখক ও বোদ্ধা মহলে মুরাকামিকে বলা হয় রানিং নভেলিস্ট। তার লেখায় নানা কায়দায় অবধারিতভাবে দৌড়ের প্রসঙ্গটি উঠে আসে। তার লেখক হয়ে ওঠার পেছনে দৌড়ের একটা বিশেষ ভূমিকা আছে।

গুণীজনরা বলেন, লেখক হতে গেলে একজন লেখককে সার্বক্ষণিক দৌড়ের ওপর থাকতে হয়। লেখা নিয়ে, লেখার বিষয়-ভাবনা নিয়ে সর্বোপরি লেখন-প্রক্রিয়ার ভেতরে লেখককে সবসময় ডুবে থাকতে হয়। কেউ কেউ বলেন, লেখককে ভাবের সাগরে পতিত হতে হয় নইলে সে লেখক হয়ে উঠতে পারে না। সমাজ, সংসার, লৌকিকতা, আনুষ্ঠানিকতাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যাপার-স্যাপার থেকে লেখক-সাহিত্যিকদের দূরে থাকতে হয়। তাহলে প্রশ্ন এসে যায়, এই সব থেকে দূরে অবস্থান করে তারা আসলে কী লাভ করে? মানে তাদের অর্জনটা কী হয়। এই প্রশ্নের সরল জবাব হলো, লেখক-সাহিত্যিকরা সৃজনশীল কর্মের মধ্যে নিমজ্জিত থেকে আসলে এক ধরনের আত্মতৃপ্তির জগতে বিচরণ করেন। এই আত্মতৃপ্তির জগতে বিচরণ করায় তাদের আর্থিক কোনো লাভ হয় না বরং তারা সমাজের আট-দশজনের চেয়ে নানাভাবে নানাদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হন। আশপাশের খ্যাতি হিসেবে, দূরদর্শী আর কাক চালাক মানুষজন সৃজনশীল মানুষদের এই বিষয়টিকে তীর্যক চোখে দেখেন। ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করেন। কখনো কখনো আবার হাসি-তামাশাও করতে ছাড়েন না।

লেখক-সাহিত্যিকদের এই চিরচেনা উদাসীন অবস্থানকে অনেকে আবার একধরনের দৌড় হিসেবেও দেখার পক্ষপাতি। সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের এই বিস্তৃত পথচলা ও এর নানা ঘাত-প্রতিঘাতকে লম্বা দৌড় প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র হিসেবেও চিহ্নিত করা হয়। সে অর্থে প্রত্যেক লেখককেই এক একজন দৌড়বিদ হিসেবে উল্লেখ করা যায়। জাপানি ঔপন্যাসিক হারুকি মুরাকামি তার লেখার ভেতরে দৌড়ের বিষয়টিকে মুখ্য করে তুললেও আমাদের লেখকরা তাদের যাপিত জীবনে এর জ্বলন্ত নজির রেখে গেছেন অনেককাল আগে থেকে। এর কোনো ব্যত্যয় এখনো ঘটেনি। আগামীতে যে এর কোনো ব্যত্যয় ঘটতে পারে কিংবা ঘটবে তারও কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

তাহলে এই প্রশ্ন উত্থাপন করা বোকামী হবে না যে, লেখক-সাহিত্যিকরা কেন লেখেন?

প্রাপ্তিযোগের আশায়? মানসম্মান, অর্থ-যশ, খ্যাতি কিংবা সবকিছুকে নিজের করে নেয়ার জন্য? নাকি অন্য আরও কোনো কারণ আছে?

আত্মতৃপ্তির জন্যই সাধারণত লেখকরা লেখেন। এরা প্রকৃত লেখক, বৈষয়িক কোনো হিসাবকে এরা আমলে নেন না। তবে এক্ষেত্রে অতি আঁতেলদের কথা অবশ্য ভিন্ন। এ ধরনের লেখকরা দেশ-জাতি-সমাজ উদ্ধার করার জন্য কিংবা দায়িত্ববোধ থেকে লিখছি এ জাতীয় ভারী ভারী কথা বলেন, তাদের অমৃতবচনকে উপেক্ষা করা তাহলে এই প্রশ্ন উত্থাপন করা বোকামি হবে না যে, যাবে না। তবে সাধারণ মানুষের কাছে অভাবনীয় জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য লেখক যখন সাদাসিধেভাবে বলেন, আমি ভাই অতসব দায়বদ্ধতা কিংবা দায়িত্ব নিয়ে লিখতে বসিনি। আমি আমার ভালো লাগার আনন্দে লিখি। মানুষ যদি তা গ্রহণ করে তবেই আমি খুশি।

জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ এ ধরনের কথা সবসময়ই বলতেন। তিনি অন্যদের মতো ভান-ভনিতা করতেন না। সরল জীবন যাপন তার। বুকের পাটা বড় করে তিনি তার জীবদ্দশায় সবসময়ই বলেছেন, আমি মারা যাবার পর পাঠক যদি আমার বই না পড়ে তাতে আমার কোনো দুঃখ নেই। পাঠকের অপার স্বাধীনতাকে আমি কবুল করি।

অসম্ভব সত্য কথা। লেখকের দায়িত্ব কেবল লিখে যাওয়া। লেখার পরের প্রেক্ষাপট পাঠক তৈরি করবে। পাঠকই লেখককে বড় করে তোলে বাঁচিয়ে রাখে সম্মানীত করে। প্রাপ্তিযোগে পূর্ণ করে। লেখকের চাওয়া-পাওয়া এখানেই। পাঠকের ভালবাসা ও প্রশংসাই হলো লেখকের জন্য সর্বোচ্চ পুরস্কার। যুগে যুগে লেখকরা এই পুরস্কার মাথায় তুলে নিয়ে নিজেদেরকে পাঠকের সামনে উন্মোচিত করেছে। সৃষ্টির আনন্দে। পাঠকদের ভালোবাসাকে সবচেয়ে বড় পুরস্কার বলে স্বীকার করেছেন তারা। পাঠকের ভালবাসার এই পুরস্কারের বাইরেও রয়েছে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের বেশকিছু পুরস্কার। 

সেসব পুরস্কার কেমন?
কারা দেয় সেসব?
কোন ধরনের লেখককে দেয়া হয় তা?

প্রকৃত লেখকরা কী তা পান? নাকি ভূঁইভোড় রাজনৈতিক পরিচয় সর্বস্ব কিংবা হঠাৎ গজিয়ে ওঠা তথাকথিত লেখক (এদের মধ্যে আমলা থেকে শুরু করে কোন শ্রেণী নেই!) নামধারীদের পকেটস্থ হয় তা?

পুরস্কার লেখককে উজ্জীবিত করে। সমৃদ্ধ করে। তাকে নতুন সৃষ্টিতে রসদ যোগায়। নতুন নতুন লেখায় অভিনিবেশ করায়। সময়ের পরিবর্তনে অবস্থা এমন পরিবর্তন হয়েছে যে, লেখক ও পুরস্কার আজ একে অন্যের পরিপূরক হয়ে দাঁড়িয়েছে। লেখকরা এখন লেখার চেয়ে পুরস্কার পাওয়ার জন্যই যেন উদগ্রিব হয়ে থাকে। কী লিখলাম তা বড় কথা নয় বরং কীভাবে, কেমন করে অমুক পুরস্কার-তমুক পুরস্কার ‘বগলদাবা’ কিংবা ‘বাগিয়ে’ নেয়া যায় সে ব্যাপারে লেখকদের নিষ্ঠার সঙ্গে সক্রিয় থাকতে দেখা যায়। ‘নিষ্ঠাবান’ এ লেখকদের (!) সংখ্যা আশংকাজনক হারে দিন দিন বেড়ে চলেছে। এদের আস্ফালনে প্রকৃত লেখকরা প্রায় কোণঠাসা হয়ে পড়েছে।

লেখকদের মধ্যে এখন নানাধরনের সমীকরণ পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে, বিভিন্ন হাউজকেন্দ্রিক, সিন্ডিকেট, মিডিয়াকেন্দ্রিক লেখক গোষ্ঠী এসব পুরস্কার হস্তগত করতে নানা ধরনের কৌশলের আশ্রয় নেয়। ‘তিলকে তাল বানানো’র ফর্মুলাকে কাজে লাগিয়ে অযোগ্য লেখকদের সামনের কাতারে নিয়ে আসার নানাধরনের কসরত, গুটিবাজি চলছে। এসব সরত ও গুটিবাজিতে নানামহলের হাত ও ইন্ধন থাকে। এই প্রক্রিয়ায় প্রকৃত লেখকদের হয়তো বাদ দেয়া যায় না। কিন্তু এ কথাও সত্য যে তাদের কাতারে এনে যেসব শ্রীমান(!)দের দাঁড় করিয়ে দেয়া হয় তাদের দেখলে ঘৃণা ও করুণা জন্মে।

শুধু সাহিত্য পুরস্কার নয়, রাষ্ট্রের আরও গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার নিয়েও এ ধরনের অভিযোগ রয়েছে। যোগ্য মানুষ বাদ দিয়ে মিডিয়ার কল্যাণে রাতারাতি পরিচিতি পেয়ে যাওয়া তথাকথিত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা কসরত ও গুটিবাজির কল্যাণে পুরস্কার বাগিয়ে প্রকৃত ও যোগ্যদের বুড়ো আঙুল দেখাচ্ছেন। এদের পুরস্কার প্রাপ্তিতে স্তবকের দল যখন আহা বেশ বেশ বেশ ধ্বনিতে চারদিক মুখর করে তোলে তখন এক অজানা ভয় ও শঙ্কা কাজ করে।

॥ তিন ॥
শুরুতেই ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর উদ্ধৃতি দিয়েছিলাম। শেষ করতেও তারই দ্বারস্থ হতে হচ্ছে। লেখালেখির মধ্য থেকে লেখালেখি জিনিসটা কী উঠে যাচ্ছে? এ রকম প্রশ্নও অনেক বিজ্ঞজন করছেন। তারা বলছেন, লেখালেখির মধ্যেও রাজনীতি, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, সিন্ডিকেট, গ্রুপিং, লবিং ক্রমশ জোরালো হয়ে উঠছে। এর ফলে অযোগ্যরা বেশ ফুলে-ফেঁপে উঠছে। লেখক-তকমা গায়ে লাগিয়ে পাদ-প্রদীপের আলোয় ঝলমল করে উঠছেন। আর প্রকৃতজনরা অসহায় হয়ে তা দেখছেন। বোধহয় এসব অবস্থার আগাম পূর্বাভাস জ্ঞানতাপস টের পেয়েছিলেন বহুপূর্বেই যে কারণে তিনি লিখতে পেরেছিলেন, ‘অন্ধের পক্ষে দিন-রাত দুই-ই সমান। মূর্খের পক্ষে আযাদী ও গোলামী দুই সমান। যেখানে প্রকৃত প্রস্তাবে শতকরা ৪-৫ জন শিক্ষিত সেখানে আমরা কি আশা করতে পারি? মূর্খ ও নাবালক দুইই সমান। নাবালককে ফাঁকি দিয়ে তার আত্মীয়স্বজনেরা নিজেদের জেব ভর্তি করে। এদেশে তাই ঘটছে।’

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: বাংলা একাডেমি পুরস্কার
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ছবি: চ্যানেল আই

দিনাজপুরের ৮৪৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫৩৯টি ঝুঁকিপূর্ণ 

ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬

আজ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোপন বাণিজ্য চুক্তি করছে সরকার

ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬

মুন্সিগঞ্জের আলদি বাজারে মাঝরাতে ভয়াবহ আগুন

ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬
ছবি: প্রতিনিধি

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে গাড়ির ধাক্কায় নিহত ২

ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬

বাংলাদেশের এই ৩ শর্ত আইসিসি মানলেই ভারতের বিপক্ষে খেলবে পাকিস্তান

ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: মীর মাসরুর জামান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT