একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে। ইতোমধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো নিজ নিজ দলের মনোনয়ন ফরম বিতরণ প্রায় সম্পন্ন করেছে। ঐক্যফ্রন্টের অন্তর্ভুক্ত দলগুলোও তাদের দলীয় মনোনয়নের খসড়া সম্পন্ন করেছে। এরই মধ্যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নিজেদের নির্বাচনী ইশতেহার প্রস্তুত শুরু করেছে। এছাড়া দলগুলোর মধ্যে আসন ভাগাভাগি শুরু করবে। এই বিষয়ে শুক্রবার কিংবা শনিবার নতুন জোটটি বৈঠকও করবে বলে জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঐক্যফ্রন্টের এক সদস্য চ্যানেল আই অনলাইনকে নিশ্চিত করে বলেন, শুক্রবার বা শনিবার যেকোনো সময় ঐক্যফ্রন্ট আসন ভাগাভাগি নিয়ে বৈঠকে বসবেন। বৈঠকটি ড. কামাল হোসেনের বাসা কিংবা চেম্বারে বসতে পারে।
এদিকে আজ ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহারের ড্রাফট তৈরি করার জন্য বৈঠকে বসেছে ইশতেহার প্রণয়ন কমিটি। গণস্বাস্থ্য বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ধানমণ্ডির অফিসে ঐক্যফ্রন্টে ইশতেহার কমিটির বৈঠক শুরু হয় বেলা ১১টায়।
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমরা আজকে ইশতেহার তৈরি করার জন্য বৈঠকে বসেছি। প্রথমে ড্রাফট তৈরি করব। পরে এটা ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে পাশ হবে।
ইশতেহার কেমন হতে পারে তার ধারণায় তিনি বলেন, আমার চিন্তা আছে- মূল বিষয় থাকবে জাতীয় ঐক্য, বিভক্তি আর নয়, কথা বলার অধিকার, গণমাধ্যমের অধিকার, আইনের সংস্কার, গণতন্ত্রের নিশ্চিতকরণ, সাধারণ মানুষের উন্নয়নের পরিকল্পনা, দুর্নীতিহীন উন্নয়নকে গুরুত্ব দেয়া হবে। দেশের মেরামত দরকার। এগুলো চিন্তার মধ্যে আছে। দেখা যাক কী হয়।
জাফরুল্লাহ জানান, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ১১ দফার ভিত্তিতে ইশতেহার করা হবে। তবে এটা আরো বিস্তৃত হবে। আগামী ১ সপ্তাহ মধ্যে ইশতেহার ছাপানো হবে বলেও জানান জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
বৈঠকে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ, ইকবাল সিদ্দিকী, ডা. জাহেদুর রহমান, শফিকউল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত আছেন। সূত্র থেকে জানা যায়, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহার প্রণয়ন কমিটির বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার ঘোষিত ভিশন-২০৩০ রূপকল্প সামনে রেখে আগামী নির্বাচনী ইশতেহার তৈরি করবে। এই ভিশনের গুরুত্বপূর্ণ দুটি পয়েন্ট হল, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করা এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।









