কয়েকদিন আগেই মাশরাফি-মুশফিকদের বেতনের সঙ্গে ম্যাচ ফিও বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ হারে। কিন্তু নারী ক্রিকেটারদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর দিকটা যেন ভুলেই গিয়েছিলেন বিসিবি কর্তারা। সংবাদ সম্মেলনে টাইগ্রেসদের বেতন বাড়া-না বাড়া সংক্রান্ত প্রশ্নের পর বেশ হতবাকই হলেন নাজমুল হাসান পাপন। এখন পর্যন্ত কেন মেয়েদের বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব আসেনি সেটা ভেবেই বিস্মিত বোর্ড সভাপতি।
শুক্রবার গুলশানে নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছিলেন বিসিবি সভাপতি। আইসিসির পুনর্গঠিত গঠনতন্ত্র ও আর্থিক বন্টননীতি নিয়ে কথা বলার এক ফাঁকে তার কাছে প্রশ্ন রাখা হয়- বিসিবি নারী ক্রিকেটারদের বেতন-ভাতা বাড়ানো নিয়ে কিছু ভাবছে কিনা? জবাবে বিস্ময় প্রকাশ করেন নাজমুল হাসান, ‘নারী ক্রিকেটারদের বেতন-ভাতা বাড়াতে আগ্রহী বিসিবি। কিন্তু এখনো কোন পক্ষ থেকে কোনরকম প্রস্তাবই আসেনি। প্রস্তাব আসার পর সেটি পর্যালোচনা করে আমরা দ্রুত পদক্ষেপ নিবো। বিসিবি মেয়েদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে আগ্রহী।’
গত ২২ এপ্রিল টাইগারদের বেতন এবং ম্যাচ ফি বাড়ানোর ঘোষণা দেয় বিসিবি। বেতনের সঙ্গে ম্যাচ ফি বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী ‘এ প্লাস’ ক্যাটাগরিতে থাকা ক্রিকেটাররা মাস প্রতি পাবেন চার লাখ টাকা করে। আগে তাদের মাসিক বেতন ছিল আড়াই লাখ। ‘এ’ ক্যাটাগরির ক্রিকেটারদের বেতন দুই লাখ থেকে তিন লাখে উন্নীত হয়েছে।
অন্যদিকে টেস্টে আগে ক্রিকেটাররা পেতেন দুই লাখ টাকা করে। এখন পাবেন সাড়ে তিন লাখ। ওয়ানডে ফরম্যাটের ম্যাচ ফিও দ্বিগুণ হয়েছে। আগের ম্যাচ প্রতি এক লাখ এখন দুই লাখে। আর টি-টুয়েন্টির ম্যাচ ফি বেড়েছে পঞ্চাশ হাজার টাকা। আগে ছিল পঁচাত্তর হাজার, সেটি এখন এক লাখ পঁচিশ হাজার হয়েছে।
কিন্তু নারী ক্রিকেটারদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর দিকটি যেন সেসময় উপেক্ষিতই থেকে গিয়েছিল। নাজমুলের এই বক্তব্যে তাই আশায় বুক বাধতেই পারেন সালমা-জাহানারা-রোমানারা।








