ঘূর্ণিঝড় তিতলি’র প্রভাবে গতরাত থেকেই চট্টগ্রামে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এতে নগরীর নিচু এলাকা হাঁটু পানিতে তলিয়ে গেছে। চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন দিনমজুর শ্রমিকসহ সাধারণ মানুষ। সাগর উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে লাইটারেজ জাহাজে পণ্য খালাস বন্ধ রাখা হয়েছে।
টানা ভারী বর্ষণে পাহাড়ধ্বসের আশঙ্কায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নগরীর ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশ থেকে বসবাসকারীদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিলুর রহমান ও চাঁদগাও এসিল্যান্ড ফোরকান এলাহী অনুপমের নেতৃত্বে লালখান বাজার এলাকায় বসবাসকারীদের সরিয়ে নেয়ার কাজ চলছে। শুক্রবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৬৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস।
ঘূর্ণিঝড় তিতলি কিছুটা দুর্বল হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়ে ভারতের উড়িষ্যা উপকূলে অবস্থা করায় বাংলাদেশের সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস। পানি উন্নয়ন বোর্ড চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বরিশাল ও খুলনা জোনের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারিদের ছুটি বাতিল করেছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার ঘূর্ণিঝড় তিতলির তাণ্ডবে উড়িষ্যা ও অন্ধ্র প্রদেশে কমপক্ষে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন বহু মানুষ। ঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা এবং বৈদ্যুতিক পিলার উপড়ে পড়েছে।
বিদ্যুৎহীন রয়েছে কয়েক লাখ মানুষ। উপকূলীয় অঞ্চল থেকে ৩ লাখ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। দীঘা, মন্দারমণি এবং তাজপুর উপকূলে পর্যটকদের সমুদ্রে নামতে নিষেধ করা হয়েছে।







