বসন্ত শেষে বৈশাখে আবহাওয়া গরম হয়ে উঠলেও একটা দিন অন্তত মানুষের মনে বিচিত্র রঙ খেলা করে। নতুন বছরের শুরুতে পহেলা বৈশাখে উৎসবে মেতে উঠে সবাই। সেই উৎসবের সঙ্গে একাত্ম হন শোবিজের তারকারাও। এদিন যার যার শুটিং বাদ দিয়ে বিভিন্ন উৎসব আয়োজনে অংশ নেন। আর মেলাতে থাকেন তাদের শৈশব কৈশোরের বৈশাখী আয়োজন আর বর্তমানের অনুষ্ঠান। পাল্লায় যেটাই ভারী থাকুক না কেন মন খারাপের মেলায় তারা ভীড়তে চান না অন্তত এ দিনটায়। কেমন ছিল তারকাদের পহেলা বৈশাখের প্রথম দিনটি আর কেমনই বা কাটবে আজকের প্রথম দিনটি। তাদের বয়ানে জেনে নেব।
ফেরদৌস
কৈশোরে পহেলা বৈশাখ মানেই ছিল বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরাঘুরি। বিকেলে কনসার্টে না গেলে অপূর্ণতা থেকে যেতো! এখন পহেলা বৈশাখে শুটিং রাখি না। চেষ্টা করি পরিবারের সঙ্গে কাটাতে। বৈশাখের প্রথম দিনে লাল রঙের সাদা পাঞ্জাবি পরতে পছন্দ করি। আজ পরিবারের সবাইকে নিয়ে সকালে ক্যান্টনমেন্ট গলফ ক্লাবে যাবো। এরপর চ্যানেল আই-এর বৈশাখি আয়োজনে যাওয়ার ইচ্ছে আছে। রাতে বন্ধুদের সঙ্গে ডিনার করেই দিনটা শেষ হবে।
রিয়াজ
পহেলা বৈশাখে সাধারণত শুটিং রাখি না। সেই সময়টুকু পরিবারের জন্যই বরাদ্ধ রাখি। আমার স্ত্রীর পছন্দ করা পাঞ্জাবি পড়ি এদিন। মাঝে মাঝে কিছু অনুষ্ঠানে যাওয়ার চেষ্টা করি যদিও সব সময় হয়ে উঠে না।
বাপ্পা মজুমদার
বৈশাখের ছোটবেলায়ই অনেক মজা করতাম। সকালটা শুরু হতো পুজো দিয়ে। ভোরবেলায় উঠে নতুন জামাকাপড় পরে পুজো দিয়ে বের হতাম। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেয়ার জন্য মেলায় যেতাম। মা অনেক রকম রান্না করত। সারাদিন ঘোরাঘুরি করে সময় পার হয়ে যেত।
আঁখি আলমগীর
সময় বের করে, নিজের মতো করে বৈশাখের আনন্দ শেষ কবে উপভোগ করেছি ঠিক মনে নেই। আমি কখনোই অনেক ভিড়ে আনন্দ করতে পারি না। তাই পহেলা বৈশাখে তেমন পরিকল্পনা করা হতো না। আর ঘটা করে বৈশাখী পালন আমদের গ্রামে আমি দেখিনি, তবে মনে আছে আম্মু লাল পাড় সাদা শাড়ি পরত। কত রকমের ভরতা যে হতো বলে শেষ করা যাবে না! আম্মু মেলা থেকে তালের পাখা কিনে দিত। তবে ওই দিনগুলো সত্যি খুব মনে পড়ে। মেলায় যেতাম। তবে এখন ভক্তদের সঙ্গে প্রতিবছরই বৈশাখের আনন্দ ভাগাভাগি করে সময় কাটে।
ন্যান্সি
গত কয়েক বছরে পহেলা বৈশাখ কী, তা বলতে পারব না। খুব আয়েশ করে পান্তা-ইলিশ খাওয়া সেটা ভুলে গেছি। আগে পরিবারের সঙ্গেই সময় কাটাতাম। তবে ছোটবেলার দিনগুলো খুব মিস করি।
নিরব
যখন আমরা স্কুলে পড়তাম, তখন বটমূলে যাওয়ার একটা আগ্রহ থাকত। বন্ধুরা মিলে খুব সকালে আজানের সময় উঠে পরিকল্পনা করতাম তারপর সাড়া দিন এক সঙ্গে। ওই বিষয়টি ছিল ভালো লাগার মতো। স্কুলের ইউনিফরম ছাড়া বন্ধুদের এক সঙ্গে হওয়া হতো না, তাই বৈশাখের সেই সময় ছিল সবচেয়ে আনন্দের ছিল।








