ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। গত দু’দিনের হালকা বৃষ্টি আর গত রাতের বৃষ্টিতে ভেসে গেছে যানজট নিরসনে প্রশাসনের নেয়া দশ উদ্যোগ। উত্তরবঙ্গের প্রবেশ মুখ গাজীপুরের চদ্রার আশপাশ এলাকা থেকে শুরু করে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা পর্যন্ত দেখা দিয়েছে তীব্র যানজট।
যানজটে ঘরমুখী যাত্রীদের মধ্যে নারী ও শিশুরা বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। যানজট নিরসনে জেলা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, কমিউনিটি পুলিশ ও রোভার স্কাউটের ৬ শতাধিক সদস্য যানজট নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে এ যানজট সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে বলে ধারণা করছে স্থানীয় প্রশাসন।
৪ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত এই মহাসড়কে গাড়ির অনেক চাপে ধীরগতির সঙ্গে ছিলো মাঝারি যানজট। তবে রাতের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে বৃষ্টি মাত্রা আর ঘটতে থাকে ছোট ছোট সড়ক দুর্ঘটনা। এতেই ভেস্তে যায় যানজট নিরসনে প্রশাসনের নেয়া কার্যকর দশ উদ্যোগ।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মাহবুব হোসেন চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, প্রকৃতির বিরুপ পরিস্থিতির কারণে কোথাও কোথাও যানজটের সৃষ্টি হয়ে ঘরমুখো যাত্রীগণ সাময়িক ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। এ পরিস্থিতি দ্রুত উন্নয়নে একযোগে সকলেই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আশা করি খুব তাড়াতাড়ি ঈদযাত্রা ভোগান্তির পরিবর্তে সুখযাত্রা হিসেবে গণ্য হবে।
ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের গাজীপুরের চন্দ্রা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত প্রতিবছরই ঈদে ঘরে ফেরা মানুষদের ঘন্টার পর ঘন্টা যানজটে আটকে থেকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। এই মহাসড়কের চার লেন উন্নীতকরণের কাজ চলা, সরু রাস্তা, মহাসড়কের বিভিন্নস্থানে খানাখন্দ ও কয়েকটি স্থানে সড়ক আড়াআড়ি বন্ধ করে মাটি ফেলার কারণে নিত্যদিনের যানজট আরো তীব্র আকার ধারণ করেছে। 
গোড়াই হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবির বলেন, উত্তরবঙ্গের ২৩টি জেলাসহ ২৬ জেলার গাড়ি চলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক দিয়ে। কিন্তু গত রাতের তুমুল বৃষ্টি, অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ, ফিটনেস বিহীন গাড়ি বিকল হয়ে যাওয়া, সংস্কার করা মহাসড়কের খানাখন্দ বৃষ্টির তোড়ে পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাওয়ায় এ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়ে যাওয়ায়, রাত থেকে বৃষ্টি এবং মহাসকের বিভিন্ন পয়েন্টে গাড়ি বিকল হওয়ায় এ যানজটের সৃষ্টি হয়। 







