সেনাবাহিনী প্রধান আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক বলেছেন, জঙ্গিবাদ দমনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সুপরিকল্পিত, ত্বরিৎ ও কার্যকরী পদক্ষেপ দেশ-বিদেশে প্রশংসা অর্জন করেছে। সেনাবাহিনী তার নিজস্ব দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সরকার ও প্রশাসনকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহায়তা করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচিতে ছিল সেনাবাহিনীর খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। তিন বীরশ্রেষ্ঠ, পাঁচ বীরউত্তম, সাত বীরবিক্রম ও ২২ বীরপ্রতীক ও তাদের পরিবারের ৩৭ জন সদস্যের হাতে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক।
পরে বক্তৃতায় তিনি জাতি গঠনে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।
সেনাপ্রধান জেনারেল শফিউল হক বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অক্লান্ত পরিশ্রম, সততা, কর্তব্যবোধ ও পেশাদারিত্বের বিনিময়ে দেশের সীমা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে দেশের ভাবমূর্তিকে সুউজ্জ্বল আসনে অধিষ্ঠিত করেছে।
আন্তর্জাতিকভাবে সেনাবাহিনীকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান সেনাপ্রধান।
তিনি বলেন, সেনাবাহিনী তার নিজস্ব কার্যক্রমের পাশাপাশি যে কোনো দুর্যোগ মোকাবেলাসহ বিভিন্ন সামাজিক ও জাতি গঠনমূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে
প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সরকার ও প্রশাসনকে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে।
একই দিনে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীও খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের পরিবারকে সংবর্ধনা দিয়েছে। খেতাবপ্রাপ্ত এবং তাদের উত্তরাধিকারী ২৪ জনকে সম্মাননা জানান বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার।








