ঘরের মাঠে আয়োজিত ১৯৫৪ সালের বিশ্বকাপে সবশেষ কোয়ার্টার ফাইনালে খেলেছিল সুইজারল্যান্ড। এরপর কেটে গেছে ৭২ বছর। চার আসরে শেষ ষোলোতে খেললেও ফিরতে হয়েছিল তাদের। অবশেষে আবারও কোয়ার্টারে ইউরোপের দেশটি। রাউন্ড অব-৩২ এর লড়াইয়ে গোলশূন্য সমতার পর টাইব্রেকাকে ৪-৩ ব্যবধানে কলম্বিয়াকে হারিয়ে শেষ আটের টিকিট কেটেছে দেশটি।
ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে শেষ ষোলোর শেষ ম্যাচে নামে কলম্বিয়া ও সুইজারল্যান্ড। ম্যাচ জুড়েই দুদল সমানে সমান লড়তে থাকে। আক্রমণের সুযোগও তৈরি করেছিল দুদল। তবে কেউ জালের দেখা যায়নি। প্রথমার্ধ পেরিয়ে দ্বিতীয়ার্ধেও ছিল একই চিত্র।
গোলশূন্য সমতায় থাকায় খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেও ৩০ মিনিটে কোনো গোল করতে পারেনি সুইজারল্যান্ড ও কলম্বিয়া। ফলে গোলশূন্য সমতায় থাকা ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকার।
টাইব্রেকারে প্রথম দুটি শটেই গোল করে দুদল। কলম্বিয়ার দ্বিতীয় শটটি নেন ডেভিনসন সানচেজ, তার নেয়া শট ক্রসবারে লেগে মিস হয়। সুইশরা দ্বিতীয় শটে গোল আদায় করে নেয়। তৃতীয় শটে গোল করেন কলম্বিয়ার হামিন্তন ক্যাম্পেজ। তবে এবার মিস করে বসে সুইজারল্যান্ড। ম্যানুয়েল আকানজি তার নেয়া শটটি গোলপোস্টের উপর দিয়ে উড়িয়ে দেন।
টাইব্রেকারে সমতা ফিরলেও হুয়ান ক্যামিলো হার্নান্দেজ চতুর্থ শটটি মিস করে বসেন। কলম্বিয়া ফরোয়ার্ডের শট ঠেকিয়ে দেন সুইজারল্যান্ড গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেল। সুইশরা গোল করে পরের শটে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। পঞ্চম শটে দিয়াজ গোল করে কলম্বিয়াকে সমতায় ফেরান।
তবে চতুর্থ শটে কলম্বিয়াকে রুখে দেয় গোলকিপার। সুইশরা পঞ্চম শটে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। দিয়াজ কলম্বিয়াকে সমতায় রাখেন। এবার রুবেন ভার্গাস গোল করে ইতিহাস গড়েন। ৪-৩ ব্যবধানে জিতে যায় সুইজারল্যান্ড।
আগামী ১২ জুলাই বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় শেষ কোয়ার্টার ফাইনালে কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে সুইজারল্যান্ড।







