গ্রাহকদের সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে বেসরকারি টেলিকম অপারেটরদের আরো আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। তিনি আশা করেন, নতুন থ্রি-জি নেটওয়ার্ক বিস্তারের ফলে সারাদেশে গ্রামীণ ফোনের গ্রাহকরা কোনো সমস্যা ছাড়াই দ্রুত গতির ইন্টারনেট সুবিধা পাবেন।
দ্রুত গতির ইন্টারনেট সেবা আর আরো স্পষ্ট ভিডিও কলিং সুবিধা দিতে দেশজুড়ে ১০ হাজার থ্রি-জি সাইট স্থাপন করেছে বেসরকারি টেলিকম অপারেটর গ্রামীণ ফোন। গ্রামীণ ফোন বলছে, বতর্মানে দেশের ৯০ ভাগ জনগোষ্ঠী এখন তাদের থ্রি-জি নেটওয়ার্কের আওতায়।
গ্রামীন ফোনের সিইও রাজীব শেঠী বলেন, অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে আমরা গ্রামীনফোন থ্রিজি নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করেছি। এখন প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেক মানুষ ইন্টারনেট সেবার মাধ্যমে তাদের সমস্যার দ্রুত সমাধান করতে পারবে।
শুধু নেটওয়ার্ক বাড়ানো নয়, সেবার মানও বজায় রাখার আহ্বান জানান বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ। তিনি বলেন, ইন্টারনেট প্রসারের ফলে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে, কৃষিক্ষেত্রে সবক্ষেত্রেই মানুষ উপকৃত হবে।
গ্রামীনফোনের এ সম্প্রসারণ ডিজিটাল বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। তিনি বলেন, আমাদের তিনটি লক্ষ্য। এক. সেবা সম্প্রসারণ দুই. সেবার মানোন্নয়ন তিন. সেবা সহজলভ্য করা। তিনদিকেই আমরা আমাদের দৃষ্টি রেখেছি। আজ প্রাইভেট সেক্টর থেকে এক কোম্পানি এই কাজে অগ্রসর হলো, সেটা দেখেও ভালো লাগছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নেটওয়ার্ক বিস্তারের ফলে শুধু গ্রামীন ফোন গ্রাহকরা নন, সরকার এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো জনগণকে আরো বেশি কার্যকর ডিজিটাল সুবিধা দিতে পারবে।







