রাশিয়া বিশ্বকাপ-২০১৮’র ম্যাচগুলো হবে ১২টি স্টেডিয়ামে। চ্যানেল আই অনলাইনের পাঠকদের জন্য ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হচ্ছে স্টেডিয়ামগুলোর পরিচিতি। আজ থাকছে কালিনিনগ্রাদ স্টেডিয়াম, কালিনিনগ্রাদের কথা-
বাল্টিক সাগর, পোল্যান্ড ও লিথুনিয়া সীমান্তের মাঝখানে পড়ে চ্যাপ্টা হয়েছে কালিনিনগ্রাদ স্টেডিয়াম। মাঠটিতে খেলতে গেলে মস্কো থেকে ৭৭০ মাইল পাড়ি দিতে হবে দলগুলোকে।
স্টেডিয়াম পরিচিতি: লুঝনিকি, স্পার্টাক, নভগোরোদ, সারানস্ক, কাজান, সামারা, একাটেরিনবার্গ, পিটার্সবার্গ
বায়ার্ন মিউনিখের মাঠ অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনার মত করে গড়া হয়েছে কালিনিনগ্রাদ স্টেডিয়ামের নকশা। মাঠের কাজ শুরুর আগেই দেউলিয়া হয়ে পড়ে নকশাকারী প্রতিষ্ঠান। তাই নির্মাণে এসেছে বিরাট পরিবর্তন।
পরে ৪৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন স্টেডিয়াম হওয়ার কথা থাকলেও টেনেটুনে ৩৫ হাজার দর্শককে বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কারণ ফিফার নিয়ম অনুযায়ী বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচ আয়োজনের জন্য অন্তত ৩৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা থাকতেই হয়।
ধারণক্ষমতা কম হওয়ার আরেকটি কারণ রাশিয়ার দ্বিতীয় বিভাগের দল বাল্টিকা কালিনিনগ্রাদ। মূলত এই দলেরই হোম ভেন্যু কালিনিনগ্রাদ স্টেডিয়াম। আর দলটির খেলা দেখতে আসা দর্শকদের সংখ্যাটা কত জানেন? গড়ে মাত্র সাড়ে ৩ হাজার!
অবশ্য বিশ্বকাপে কালিনিনগ্রাদে দর্শক হাজির করতে আয়োজকরা লোভনীয় সব প্রস্তাব দিতে শুরু করছেন ফুটবলপ্রেমীদের। দর্শক আনতে প্রয়োজনে ম্যাজিকক্যাল কিছু করতেও প্রস্তুত তারা।
এক নজরে-
কালিনিনগ্রাদ স্টেডিয়াম, কালিনিনগ্রাদ
ধারণ ক্ষমতা: ৩৫ হাজার
উদ্বোধন: ২০১৮ সালে
বিশ্বকাপে ম্যাচ হবে: ৪টি
উল্লেখযোগ্য ম্যাচ: স্পেন-মরোক্কো, ইংল্যান্ড-বেলজিয়াম








