ভার্চুয়াল জগতে যে কোটি কোটি বাংলাদেশী তরুণের প্রতিদিনের আনাগোনা, তাদের সচেতন করতে চেষ্টা করেছেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা পর্যায়ে। কাজটা এখনো করে যাচ্ছেন তিনি নিরলসভাবেই। এজন্য সমালোচনার কষাঘাতও শুনেছেন। তিনি সোলায়মান সুখন। তার ভিডিও ব্লগগুলো এখন প্রতি মাসে দেখা হয় গড়ে ৪ লাখ মিনিট। খুব শিগগিরই তার ইউটিউব চ্যানেল ছুঁয়ে ফেলবে ১০ লাখ ভিউ-এর মাইল ফলক। সুখন অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট, ভিডিও ব্লগার, সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়মিত তরুণদের উদ্বুদ্ধকরণ পোস্ট দেন। কর্মজীবন শুরু করেছিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে। এরপর ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, বাংলালিংক, এলিট টেকনোলজিস এ উর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে।
বর্তমানে হেড অব বিজনেস হিসেবে রয়েছেন আমরা স্মার্ট সলিউশনে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন-আইবিএ থেকে মাস্টার্স অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন-এমবিএ শেষ করেছেন। প্রথাগত কর্পোরেটের বাইরে নিজের শখের বশে করেন স্ট্যান্ডআপ কমেডি। এছাড়াও খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করছেন।
সদাহাস্যমুখী অসামান্য মেধার অধিকারী সোলায়মান সুখন কথা বলেছেন, চ্যানেল আই অনলাইনের সঙ্গে। মুখোমুখি সাক্ষাতে বলেছেন, সোশ্যাল মিডিয়াতে তার ভিডিও ব্লগিং, ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ, তারুণ্যের জয়গানসহ আরো অনেক কিছু নিয়ে।
চ্যানেল আই অনলাইন: সাম্প্রতিক সময়ে রবির জ্বলে ওঠার অদম্য গল্পে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। কেমন লাগছে? সোলায়মান সুখন: ভালো। এটা খুবই সুন্দর একটা উদ্যোগ মুঠোফোন সেবাদান প্রতিষ্ঠানটির। ওরা আমার কাছে এসেছিল; আমি ভিডিও ব্লগিং করি, স্মার্টফোনটিকে অন্যভাবে কাজে লাগিয়ে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন কর্মকাণ্ড মানুষদের কাছে তুলে ধরি। বিশেষভাবে আমি যেভাবে তরুণ সমাজকে প্রাধান্য দিয়ে তাদের জন্য যে বার্তা দেই, রবির প্রচারণাটাও তরুণদের নিয়ে। তরুণ সমাজকে আমি উদ্বুদ্ধ করি, তারাও আমাকে ফলো করে এর জন্যই রবি ‘জ্বলে উঠার অদম্য গল্প’ ক্যাম্পেইন এ আমায় নিয়েছে।
চ্যানেল আই অনলাইন: গুগল ফেস্টে অংশগ্রহণ করেছিলেন? এ সম্পর্কে জানতে চাই।
সোলায়মান সুখন: গুগল ফেস্টটা ছিল আইটি ডেভেলপারদের একটি সম্মেলন। নানা রকম অ্যাপস ও বিভিন্ন সফটওয়ার নিয়ে কাজ করছে, তবে রিমার্কেবল কোন অ্যাপস বা আইটি সলিউশন বাংলাদেশ থেকে বের হচ্ছে না, এর জন্য গুগল সম্মেলনটি করেছিল। সেখানে আমি ছাড়াও হ্যান্ডসেট কোম্পানি ও সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেট প্লেসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। গুগল ফেস্টে যাওয়ার উদ্দেশ্য ছিল তরুণ আইটি ডেভেলপারদের শুধুমাত্র মেশিন হিসেবে কাজ করলে হবে না, সঠিকভাবে অ্যাপস তৈরি করে সেই অ্যাপটিকে বাংলাদেশ বান্ধব করে তোলা যা দিয়ে দেশের মানুষের উপকার হয়।
চ্যানেল আই অনলাইন: গুগল ফেস্ট থেকে কি তরুণ আইটি ডেভেলপারস বের হয়ে আসবে বলে আপনি মনে করেন?
সোলায়মান সুখন: অবশ্যই আসবে। ঢাকা গুগল ডেভেলপারস গ্রুপ থেকে শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা তরুণ আইটি বিশেষজ্ঞদের বোঝানোর চেষ্টা করছে যে আমাদের আইটি সেক্টর আরো বড় ধরনের চিন্তা ভাবনা করতে হবে। বাংলাদেশের হাইটেক নিয়ে প্রচুর ছেলে মেয়ে কাজ করছে এবং কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছে।
চ্যানেল আই অনলাইন: নিয়মিত সোশ্যাল মিডিয়াতে ভিডিও ব্লগে প্রেরণা যোগান, মাঝে মাঝে ঘণ্টাখানেকের জন্য ফেসবুকে প্রশ্নোত্তর পর্বেও অংশ নেন, সাড়া কেমন পান?
সোলায়মান সুখন: আমি এ ব্যাপারে প্রচণ্ড আবেগআপ্লুত। অনেকে বলে সোশ্যাল মিডিয়াতে কেউ সময় দেয় না, বা দিলেও সময় অপচয় করে, এটা আসলে ঠিক না। আমি সব সময় একটা ভারী বিষয় নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করি। সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রশ্নোত্তর পর্বে তরুণরা ব্যাপকভাবে সাড়া দিয়েছে, ওরা চায় যারা আজ থেকে ১২ বছর আগে তরুণ ছিল তাদের সঙ্গে মন খুলে কথা বলতে। কি ভুলগুলো করেছি কি করা উচিত না। তারা চাকরি, ক্যারিয়ার ইত্যাদি নিয়ে কথা বলে আমিও উত্তর দেই আমার অভিজ্ঞতা থেকে। আর ভিডিও ব্লগে আমি সব সময়ই আলোচ্য বিষয়ে প্রাধান্য দেই। সব ব্লগগুলো তিন থেকে সাড়ে তিন মিনিটে শেষ করি। সব মিলিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে তরুণদের এমন সাড়া পেয়ে আমি মুগ্ধ।
চ্যানেল আই অনলাইন: আপনার কাছে সত্যিকারের সেলিব্রেটি কারা?
সোলায়মান সুখন: সত্যিকারের সেলিব্রেটি তারাই, যারা তাদের কর্মকাণ্ড দিয়ে অন্যকে ভালো কিছু করার জন্য উৎসাহিত করে। তবে আমাদের দেশে সেলিব্রেটি বলতে আমরা শুধু বিনোদন জগতের তারকাদের বুঝি। যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সত্যিকারের সেলেব্রিটি যে কোন সেক্টরেই থাকতে পারে। যার লাইফ, যার কাজ উদযাপন করা করা যায় সেই সত্যিকারের সেলেব্রিটি।
চ্যানেল আই অনলাইন: তরুণরাই আগামী দিনের দেশ ও সমাজের নেতৃত্বে থাকবে। তারাই হবে জিয়ন কাঠি। এ বিষয়ে আপনার অভিমত?
সোলায়মান সুখন: অবশ্যই হবে, তরুণ বয়সেই সাহস, ইচ্ছা, উদারতা থাকে। এরপরেই কিন্তু সবাইকেই সংসারসহ পারিবারিক দায়বদ্ধতা নিয়ে নিতে হয়। তখন আর করা হয় না। তরুণদের সব কিছু থাকার পরও শুধুমাত্র পরিচালনার অভাবে অনেকেই কিছু করতে পারে না। তাই আমরা তারুণ্য পেরিয়ে এসেছি এবং যে যার সেক্টরে প্রতিষ্ঠিত তারা যদি তরুণদের নেতৃত্ব দেওয়ার সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে পারি তাহলেই আমাদের তরুণ প্রজন্ম অনেক দূর এগিয়ে যাবে।
চ্যানেল আই অনলাইন: আপনার দৃষ্টিতে ভবিষতের বাংলাদেশ কেমন?
সোলায়মান সুখন: আমি চাই কোন দেশের এয়ারপোর্টে যখন আমি বাংলাদেশের গ্রিন পাসপোর্ট দেব ওপাশ থেকে ইমিগ্রেশন অফিসার দাঁড়িয়ে বলবে, উই লাভ ইউর কান্ট্রি, ইউ আর গ্রেট পিপল। এ ক্ষেত্রে অর্থনীতির দিক থেকে আরো বলীয়ান হতে হবে, শিক্ষার হার বাড়াতে হবে আর বাংলাদেশকে ব্যবসা ও বিনিয়োগ বান্ধব হতে হবে।
চ্যানেল আই অনলাইন: আপনার কাছে সাফল্যের সংজ্ঞা কি?
সোলায়মান সুখন: সাফল্যের সংজ্ঞা হচ্ছে, মানুষের জীবনে কয়েকটা কাছের সার্কেল থাকে, সবচেয়ে কাছের সার্কেল তার পরিবার। এরপর তার বন্ধুবান্ধব, তার আত্মীয় স্বজন, তার প্রফেশন এবং সর্বশেষ তার সোসাইটি। ওই সার্কেলগুলোতে ঐ ব্যক্তিকে যেন শ্রদ্ধার চোখে দেখে। ঐ ব্যক্তিও যেন সব সার্কেলের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ায়, সবার সঙ্গে পারস্পারিক সম্পর্ক বজায় রাখে এটাই আমার কাছে সাফল্য। আর আর্থিক সাফল্যকে আমি কখনো জীবনের সবকিছু মনে করি না। কোটি কোটি টাকা আছে কিন্তু কারো সঙ্গে সুসম্পর্ক নেই রাতে শান্তিতে ঘুমানো যায় না, টাকা দিয়ে কি হবে। বার্ধক্য বাসা বাঁধলে যদি চিন্তা করি আমি সুন্দরভাবে প্রতিটি সার্কেলে সময় কাটিয়েছে, তাদেও পাশে দাঁড়িয়েছি। তারাও আমাকে মনে করবে এর চাইতে জীবনে বড় সাফল্য আর কী হতে পারে।
চ্যানেল আই অনলাইন: ছোটবেলায় কি হতে চেয়েছিলেন?
সোলায়মান সুখন: পাইলট। ফাইটার পাইলট। আমি এখনো ফাইটার রিলেটেড এভিয়েশন রিলেটেড ভিডিও ইউটিউব এ দেখি। এই রিলেটেড মুভি দেখি। আমার যারা পাইলট বন্ধু আছে তাদের সঙ্গে প্রচুর সময় কাটাই। এখনো সময় পেলেই ছুটে যাই হ্যাঙ্গারে প্লেন দেখার জন্য।
চ্যানেল আই অনলাইন: ডিফেন্স ছেড়ে কর্পোরেট সেক্টরে আসলেন কেন?
সোলায়মান সুখন: ডিফেন্স অবশ্যই সুন্দর একটা পেশা এবং সুশৃঙ্খল জীবনযাপন। কিন্তু আমার নিয়ম মানতে ইচ্ছা করে না, রেজিমেন্টেড লাইফ স্টাইল ভালো লাগত না। এই ব্যাপারটা ডিফেন্সে ঢুকেই বুঝেছিলাম। আমার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে ব্যাপারগুলো যেত না। একটু স্বাধীন ভাবে নিজের ইচ্ছায় নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিবো এই ব্যাপারগুলো আমার মধ্যে আছে। ভবিষ্যতে কোন প্রকার ফিকশন যেন না হয় তাই এক পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেই যে কর্পোরেট সেক্টরে আসব।
চ্যানেল আই অনলাইন: আইবিএ তে কি খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন?
সোলায়মান সুখন: আসলে আমি এখন পর্যন্ত ষোলোটি বিশ্ববিদ্যালয়ে খন্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কাজ করেছি এবং বিভিন্ন সেমিনারে লেকচার দিতে গিয়েছি। আইবিএ থেকে ইএমবিএ’র ম্যাম যেতে বললো, তখন আমি এমবিএ’র কয়েকটা ব্যাচের ক্লাস নিয়েছিলাম। তাছাড়া নিজের ডিপার্টমেন্টে ফিরে যাওয়ার মজাই আলাদা। খুব সীমিত পরিসরে আইবিএতে ক্লাস নিয়েছিলাম, এখন আর নিচ্ছি না তবে এখন আমি সেনাবাহিনী দ্বারা পরিচালিত ৩০তম পাবলিক ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালে আগামী সেমিস্টার থেকে প্রেজেন্টেশন স্কিলসের উপরে কোর্স করাব।
চ্যানেল আই অনলাইন: জব পাওয়ার ক্ষেত্রে অ্যাপ্লিকেন্টের মেধা জরুরী নাকি নেটওয়ার্কিং?
সোলায়মান সুখন: দুটোই জরুরী। বলতে গেলে পরিপূরক। নেটওয়ার্কিং থাকলে কাজ পেতে সহজ হয়। তবে মেধা না থাকলে সেই নেটওয়ার্কিং দিয়ে কিছুই হবে না। শুধু মেধা দিয়েও অনেক ক্ষেত্রে কাজ পাওয়া সম্ভব। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে এখন নেটওয়ার্কিং অনেক সহজ হয়ে গেছে।
চ্যানেল আই অনলাইন: এবারে আসি ভিন্ন প্রসঙ্গে স্ট্যান্ডআপ কমেডিতে কিভাবে আসা?
সোলায়মান সুখন: সবারই একটা হবি থাকে, এটাই আমার একটা হবি। ব্যাঙ্গাত্মক রসবোধ দিয়ে অনেক সহজেই নিজের মতামত প্রকাশ করা যায়। নাভিদ মাহবুব ভাইয়ের সঙ্গে পরিচয় তিনি তার স্টুডিওতে যেতে বললেন। আমি স্টেজে উঠলাম, দেখি মানুষ হাসে। আমিও মজা পেলাম, নিজেকে অনেক ফুরফুরে লাগে, সেখান থেকেই স্ট্যান্ডআপ কমেডিতে আসা।
চ্যানেল আই অনলাইন: বাংলাদেশে ভালো মানের কমেডি শো হচ্ছে না কেন?
সোলায়মান সুখন: এখন পর্যন্ত যা হয়েছে সবই কলকাতার ‘মীরাক্কেল’ নকল করে, চুটকি দিয়ে ভালো কিছু করা সম্ভব নয়। মেধাবী ব্যাঙ্গাত্মক কিছু করতে হবে। আমাদের ক্যামেরার কাজ, স্টেজ, উপস্থাপনা কিছুই সঠিক ও পরিকল্পনা নিয়ে হয় না। আর মীরাক্কেল নকল করতে গিয়ে আরো হ-য-ব-র-ল হয়ে গেছে।
চ্যানেল আই অনলাইন: বাংলাদেশে চলচ্চিত্রে অভিনয় করার ইচ্ছা আছে কি?
সোলায়মান সুখন: না…(হেসে) আমি অভিনেতা না। তবে হ্যাঁ যদি ম্যাট্রিক্স-এর মতো ‘সুপার ভিলেন’ এর প্রস্তাব আসে তবে করব।
চ্যানেল আই অনলাইন: একজন ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন এক্সপার্ট হিসেবে কি মনে করেন যে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র মান আগের মতো নেই কেন?
সোলায়মান সুখন: প্রথমে বলব আমাদের চলচ্চিত্রে চিত্রনাট্য অনেক দূর্বল। দর্শকরা বুঝতে পারে পরের দৃশ্যে কি ঘটবে। এজন্য তারা মজা পায় না। এরপর আমাদের সিনেমাটোগ্রাফি, কোনো ম্যাজিক শট সিনেমাতে থাকে না। আমাদের দেশে জেলা পর্যায়ে উন্নত মানের সিনেমা হল নেই। আর যা আছে তাতেও সিনেমা দেখার পরিবেশ নেই। এই মূল তিনটা বিষয় ঠিক না হলে চলচ্চিত্রের মান ভালো হবে না।
চ্যানেল আই অনলাইন: আপনার লাইফ স্টাইল বিষয়ে জানতে চাই।
সোলায়মান সুখন: আমি খুব সাধারণভাবেই জীবনযাপন করি। আমার লাইফ স্টাইলের মূল্যবান সময় আমার পরিবার এবং আমার ছয় বছর চার মাসের মেয়ে ওয়াফাকে নিয়ে। ওদের যথেষ্ট সময় দেই। এছাড়া আমি কখনো কাউকে আঘাত দিয়ে, ছোট করে কোন কাজ করি না।
চ্যানেল আই অনলাইন: আপনার পছন্দের খেলা কোনটা?
সোলায়মান সুখন: ফুটবল ও ফর্মুলা ওয়ান ড্রাইভিং। ফুটবলে বাংলাদেশ আর ক্লাব ফুটবলে বার্সেলোনা আর চেলসিকে সাপোর্ট করি।
চ্যানেল আই অনলাইন: সর্বশেষ প্রশ্ন। আপনার প্রথম প্রেম সম্পর্কে জানতে চাই?
সোলায়মান সুখন: আমার প্রথম প্রেম আমার বউ।
চ্যানেল আই অনলাইন: চ্যানেল আই অনলাইনের পক্ষ থেকে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
সোলায়মান সুখন: চ্যানেল আই অনলাইনকেও ধন্যবাদ।






