এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ইয়েমেনের অব্যাহত সংঘাতের মধ্যে জাতিসংঘের সাময়িক যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের প্রতি সম্মতি জানিয়েছে যুদ্ধরত উভয় পক্ষ। ৬ হাজারেরও অধিক মৃত্যু এবং ২০ লাখ বাস্তুহারা মানুষের অবর্ণনীয় কষ্টের জন্য দায়ী এই দীর্ঘকালীন যুদ্ধের বিপরীতে সোমবার থেকে আরোপিত নতুন অবস্থানের প্রতি সম্মান রাখবে বলে জানিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ও হাউদি বিদ্রোহীরা।
সঙ্কটপূর্ণ এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ইয়েমেনে নিয়োজিত জাতিসংঘের বিশেষ দূত ইসমাইল ওল্দ শেখ আহমেদ। একে “জরুরী এবং অনেক প্রয়োজনীয়” মন্তব্য করে বলেছেন, আর মৃত্যুর ভার বহন করতে পারবে না ইয়েমেন। দেশের সকল অংশে মানবিক সহায়তা প্রবেশের সুযোগও এর অন্তর্ভূক্ত বলে জানান তিনি।
তবে যুদ্ধবিরতির মধ্যে বিদ্রোহীদের কোন আক্রমণের জবাব দেয়া হবে বলে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়। একই পরিস্থিতিতে প্রতিআক্রমণের হুমকি দিয়েছে হাউদি মুখপাত্র।
যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব কার্যকর হওয়ার কয়েক ঘন্টা আগেই রবিবার সংঘাতে ২০ জন নিহত হয়।

সংঘাত অবসানের জন্য এই মাসের পরেই কুয়েতে আলোচনায় বসবে দুই পক্ষ। যাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে নেয়ার কথা শনিবার উল্লেখ করেছিলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আব্দরাব্বুহ মনসুর হাদি।
সাবেক প্রেসিডেন্ট আলী আব্দুল্লাহ সালেহ সমর্থক এবং ইরানের সহযোগিতায় উত্তরাঞ্চলের শিয়া মুসলিমদের দল হাউদি বিদ্রোহীরা ২০১৪ সালেই দেশটির রাজধানী সানা এবং পশ্চিমের অধিকাংশ অংশের দখল নেয়। পরের বছর ২০১৫ এর মার্চে সরকারকে বিতাড়িত করতে তারা সক্ষম হয়েছিলো।
আর সরকার অনুগত বাহিনী, দক্ষিণাঞ্চলের সেনাদল সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলা এবং সামরিক সহায়তায় পুনরায় দেশটির দক্ষিণ অংশের পাঁচটি প্রদেশের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।







