ইসলামের নামে জঙ্গি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনাকে চ্যালেঞ্জ মেনেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন ইসলামি সহযোগী সংস্থা ওআইসি’র মহাসচিব আইয়াদ আমিন মাদানি। ওআইসি’র পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক সামনে রেখে তার ঢাকা সফরেও আলোচিত হচ্ছে এ প্রসঙ্গ। দুনিয়াজুড়ে মুসলিমদের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার এ উদ্যোগে তিনি যুক্ত করেছেন নারী রাষ্ট্রদূত নিয়োগের বিষয়টি। ওআইসি’র হয়ে ইউরোপে দূতিয়ালি করার প্রথম কূটনীতিক হলেন বাংলাদেশের ইসমত জাহান।
জঙ্গিবাদে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশ ও মুসলিম বিশ্বের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওআইসি’র রাষ্ট্রদূত হিসেবে যোগ দিচ্ছেন বাংলাদেশের কূটনীতিক ইসমত জাহান। ওআইসি’র প্রথম নারী রাষ্ট্রদূত হিসেবে যোগ দেয়া এ কূটনীতিক বলেন, মুসলিম উম্মার গৌরব ফিরিয়ে আনার চ্যালেঞ্জটাও নিচ্ছেন তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ এ ধরণের সন্ত্রাস দমনে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। এই ধারণা নিয়ে ফিরে যাবেন ওআইসি’র মহাসচিব আইয়াদ আমিন মাদানি। গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে হামলার বিষয়ে ওআইসি মহাসচিবের সঙ্গে কথা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন ইসমত জাহান। বাংলাদেশের জঙ্গিবিরোধী তৎপরতা সম্পর্কে সামগ্রিক ধারণা পাওয়ার পর তিনি আশ্বস্ত হয়েছেন বলেও বিশ্বাস করেন ওআইসির নবনিযুক্ত বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূত।
পশ্চিমা দেশগুলোতে বাংলাদেশ এবং ইসলামের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনার চ্যালেঞ্জকে সাদরেই গ্রহণ করেছেন এ কূটনীতিক। তিনি মনে করেন, “রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে অনেকেই ইসলামকে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত করে উপস্থাপন করতে চায়। সে ব্যাপারে ওআইসির যথেষ্ট ভূমিকা আছে।” ইউরোপিয় ইউনিয়নে ওআইসির রাষ্ট্রদূত হিসেবে যোগ দিয়ে ইসলামভীতি দূর করার লক্ষ্যে কাজ করা তাঁর অন্যতম লক্ষ্য হবে বলে মন্তব্য করেন, ইসমত জাহান।
নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম আর ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করা ইসমত জাহান তার এ নিয়োগকে বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নের দৃষ্টান্ত হিসেবেও দেখছেন।







