২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলার রায়কে কেন্দ্র করে যেকোন নাশকতার অপচেষ্টা রুখে দিতে সারাদেশে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
রাজধানীর শাহবাগ, ধানমন্ডি, গুলিস্তান, শান্তিনগরসহ ঢাকার বিভিন্ন অংশে এ চিত্র দেখা গেছে।
অবস্থান নেয়া নেতাকর্মীরা জানায়, কেন্দ্রীয় নির্দেশের প্রেক্ষিতেই তাদের এ সতর্কতা। তবে কাউকে আঘাত করতে নয়, শুধুমাত্র যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা এবং জনগণের জানমাল রক্ষার্থে তারা রাস্তায় নেমেছেন।
একই সঙ্গে প্রতিটি নেতাকর্মীর চোখে মুখে রয়েছে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঘটে যাওয়া, ৭৫ পরবর্তী সব থেকে অন্যতম নৃশংস, নারকীয় ও ঘৃণ্য হত্যাযজ্ঞের বিচার প্রাপ্তির প্রত্যাশা।
এ লক্ষ্যে আগে থেকেই কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ থেকে দেশের প্রতিটি ইউনিটে পৌঁছে দেয়া হয়েছিলো চিঠি। এতে বলা হয়েছিল, মামলার রায়কে কেন্দ্র করে যেন কোন গোষ্ঠী নাশকতা সৃষ্টি, জনমনে ভীতি সঞ্চার এবং জানমালের ক্ষতি না করতে পারে সেজন্য আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে হবে।
পাশাপাশি গতকাল মঙ্গলবারও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন: আমরা কাউকে আক্রমণ করব না, তবে আক্রান্ত হলে দাঁতভাঙা জবাব দেব।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ৭৫ পরবর্তী বাংলাদেশে সবচেয়ে নৃশংসতম গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে, চালানো হয় হত্যাযজ্ঞ। ওই হামলায় বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী প্রায় ৫০০ নেতা-কর্মী। ১৪ বছর আগের ওই ঘটনায় করা মামলায় মোট আসামি ৪৯ জন। যার রায় আজ ঘোষণা করা হবে।
দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে রায় পড়ে শোনাবেন নাজিমউদ্দিন রোডস্থ পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত ঢাকা-১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন।







